স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ যেকোনো ব্যক্তি আইন ও নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে পারলে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, সরকার স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক, প্রতিযোগিতামূলক এবং গ্রহণযোগ্য করতে বদ্ধপরিকর। নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কোনো ব্যক্তি বা দলের রাজনৈতিক পরিচয়ের চেয়ে নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত যোগ্যতা, আইনি কাঠামো এবং বিধিবিধানই হবে প্রধান বিবেচ্য বিষয়।
তিনি বলেন, “যে কোনো ব্যক্তি যদি প্রচলিত আইন ও নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত শর্ত পূরণ করেন, তাহলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন। এখানে কোনো রাজনৈতিক পরিচয়কে আলাদা করে বিবেচনা করার সুযোগ নেই।”
সরকার নির্বাচন কমিশনের স্বাধীন কার্যক্রমে সহযোগিতা করবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ পরিবেশে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনও স্বাধীনভাবে তাদের সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ ও গণতান্ত্রিক চর্চা জোরদারের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করে এবং জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটায়।
এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচন, রাজনৈতিক দলগুলোর অংশগ্রহণ এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। জবাবে ডা. জাহেদ উর রহমান সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন এবং সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।




















