আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ভারতের উত্তর প্রদেশে এক যুবক নিজের স্ত্রীকে তালাক দেওয়ার পর সাবেক শাশুড়িকে বিয়ে করেছেন বলে দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ব্যাপক আলোড়নের সৃষ্টি করেছে। ঘটনাটি নিয়ে নেটিজেনদের মধ্যে চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা, পাশাপাশি উঠছে নানা সামাজিক ও নৈতিক প্রশ্ন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা যায়, ঘটনাটি উত্তর প্রদেশের কানপুর দেহাত জেলার আকবরপুর এলাকার। স্থানীয় সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, শ্বশুরবাড়িতে নিয়মিত যাতায়াতের সময় ওই যুবকের সঙ্গে তার শাশুড়ির ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। সময়ের সঙ্গে সেই সম্পর্ক প্রেমে রূপ নেয় বলে দাবি করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, পারিবারিক ও সামাজিক বাধা উপেক্ষা করে তারা আদালতের মাধ্যমে বিয়ে করেছেন। যদিও এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, নবদম্পতি আদালত প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তাদের গলায় ফুলের মালা এবং হাতে বিয়ের আইনি কাগজপত্র দেখা যায়। ভিডিওতে তারা নিজেদের সম্পর্ককে সামাজিক স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ এটিকে ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন। আবার অনেকে বিষয়টিকে সামাজিক মূল্যবোধ ও পারিবারিক সম্পর্কের দৃষ্টিকোণ থেকে সমালোচনা করছেন।
এদিকে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পুলিশি অভিযোগ দায়ের হয়েছে বলে জানা যায়নি। ফলে ঘটনাটির আইনি অবস্থান বা সত্যতা সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।
ভাইরাল ভিডিওটি ‘দ্য তত্ত্ব’ নামের একটি এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পোস্টটি প্রকাশের পর অল্প সময়ের মধ্যেই লাখো মানুষ ভিডিওটি দেখেছেন এবং হাজারো ব্যবহারকারী মন্তব্য ও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
তবে ভিডিওটির সত্যতা এবং বিয়ের দাবির বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো সরকারি নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা চললেও সংশ্লিষ্ট তথ্য যাচাইয়ের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা




















