০২:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মাঠ কাঁপানো ফুটবল লড়াইয়ে ২০১৪ ব্যাচকে উড়িয়ে দিল এসএসসি ২০১৩ ব্যাচ

মো. রাকিব হোসেন:
মাঠজুড়ে ছিল টানটান উত্তেজনা, গ্যালারিতে দর্শকদের উচ্ছ্বাস আর দুই ব্যাচের মর্যাদার লড়াই। বহুল প্রতীক্ষিত প্রীতি ফুটবল ম্যাচে শেষ পর্যন্ত নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে এসএসসি ২০১৩ ব্যাচ। জুনিয়র এসএসসি ২০১৪ ব্যাচকে ৩-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে দারুণ এক জয় তুলে নেয় তারা।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল, দ্রুতগতির পাসিং এবং সুসংগঠিত দলীয় খেলায় আধিপত্য বিস্তার করে ২০১৩ ব্যাচ। তাদের ধারাবাহিক আক্রমণের মুখে রক্ষণাত্মক অবস্থানে চলে যায় ২০১৪ ব্যাচ।

পুরো ম্যাচজুড়ে ২০১৩ ব্যাচের রক্ষণভাগ ছিল দুর্ভেদ্য। জুনিয়রদের একাধিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে নিজেদের জাল অক্ষত রাখে সিনিয়ররা। অন্যদিকে, সুযোগ কাজে লাগিয়ে তিনটি গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে রাখে তারা।

ম্যাচ শেষে ২০১৩ ব্যাচের খেলোয়াড় রাকিব বলেন, “মাঠে জুনিয়রদের প্রতি ভালোবাসা ও স্নেহ সবসময়ই থাকে। তবে জয় ও ট্রফির প্রশ্নে সিনিয়ররা যে এখনও এক ধাপ এগিয়ে, আজকের ম্যাচে সেটাই প্রমাণ হয়েছে। দলের সবাই অসাধারণ খেলেছে। এই জয় শুধু আমাদের নয়, আমাদের বন্ধুত্ব ও ঐক্যেরও জয়।”

প্রাণবন্ত এই ম্যাচ উপভোগ করতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন দুই ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও বিপুল সংখ্যক দর্শক। খেলাধুলার মাধ্যমে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্ব আরও দৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করেন অংশগ্রহণকারীরা।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে নাশকতা মামলায় আওয়ামী লীগ কর্মী টিপু সুলতান আটক

মাঠ কাঁপানো ফুটবল লড়াইয়ে ২০১৪ ব্যাচকে উড়িয়ে দিল এসএসসি ২০১৩ ব্যাচ

আপডেট: ০৯:৫৩:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

মো. রাকিব হোসেন:
মাঠজুড়ে ছিল টানটান উত্তেজনা, গ্যালারিতে দর্শকদের উচ্ছ্বাস আর দুই ব্যাচের মর্যাদার লড়াই। বহুল প্রতীক্ষিত প্রীতি ফুটবল ম্যাচে শেষ পর্যন্ত নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে এসএসসি ২০১৩ ব্যাচ। জুনিয়র এসএসসি ২০১৪ ব্যাচকে ৩-০ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে দারুণ এক জয় তুলে নেয় তারা।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল, দ্রুতগতির পাসিং এবং সুসংগঠিত দলীয় খেলায় আধিপত্য বিস্তার করে ২০১৩ ব্যাচ। তাদের ধারাবাহিক আক্রমণের মুখে রক্ষণাত্মক অবস্থানে চলে যায় ২০১৪ ব্যাচ।

পুরো ম্যাচজুড়ে ২০১৩ ব্যাচের রক্ষণভাগ ছিল দুর্ভেদ্য। জুনিয়রদের একাধিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে নিজেদের জাল অক্ষত রাখে সিনিয়ররা। অন্যদিকে, সুযোগ কাজে লাগিয়ে তিনটি গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে রাখে তারা।

ম্যাচ শেষে ২০১৩ ব্যাচের খেলোয়াড় রাকিব বলেন, “মাঠে জুনিয়রদের প্রতি ভালোবাসা ও স্নেহ সবসময়ই থাকে। তবে জয় ও ট্রফির প্রশ্নে সিনিয়ররা যে এখনও এক ধাপ এগিয়ে, আজকের ম্যাচে সেটাই প্রমাণ হয়েছে। দলের সবাই অসাধারণ খেলেছে। এই জয় শুধু আমাদের নয়, আমাদের বন্ধুত্ব ও ঐক্যেরও জয়।”

প্রাণবন্ত এই ম্যাচ উপভোগ করতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন দুই ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও বিপুল সংখ্যক দর্শক। খেলাধুলার মাধ্যমে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও বন্ধুত্ব আরও দৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করেন অংশগ্রহণকারীরা।