০৩:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মিনায় হাজিদের ঢল, শুরু হলো পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:৪৮:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
  • ৫৮২

চলতি বছরের পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম স্থানীয় সময় সোমবার ৮ জিলহজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত লাখো হজযাত্রী ইতোমধ্যে পবিত্র মক্কা থেকে মিনার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছেন। রোববার রাত থেকেই ধাপে ধাপে হাজিদের মিনায় স্থানান্তরের কার্যক্রম শুরু হয়।

সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সোমবার থেকে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। হজের প্রথম ধাপে মুসল্লিরা মিনায় অবস্থান করবেন। সেখানে তারা নামাজ, ইবাদত ও দোয়ার মধ্য দিয়ে সময় অতিবাহিত করবেন।

হাজিদের অস্থায়ী আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত মিনাকে বলা হয় ‘তাঁবুনগরী’। প্রতি বছর হজ মৌসুমে বিপুলসংখ্যক মুসল্লির জন্য মিনায় লাখো তাঁবুর ব্যবস্থা করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হাজিদের নিরাপদ ও সুশৃঙ্খলভাবে মিনায় পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা আগেই সম্পন্ন করা হয়েছে।

হজকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, পরিবহন ও জরুরি সেবা কার্যক্রম আরও জোরদার করেছে সৌদি প্রশাসন। পাশাপাশি তীব্র গরমের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে হাজিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।

হজের ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে মিনায় অবস্থানের পর হজযাত্রীরা আরাফাতের ময়দানে সমবেত হবেন। পরে মুজদালিফায় অবস্থান এবং জামারাতে শয়তানকে পাথর নিক্ষেপসহ অন্যান্য ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে নাশকতা মামলায় আওয়ামী লীগ কর্মী টিপু সুলতান আটক

মিনায় হাজিদের ঢল, শুরু হলো পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা

আপডেট: ০৫:৪৮:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

চলতি বছরের পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম স্থানীয় সময় সোমবার ৮ জিলহজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত লাখো হজযাত্রী ইতোমধ্যে পবিত্র মক্কা থেকে মিনার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছেন। রোববার রাত থেকেই ধাপে ধাপে হাজিদের মিনায় স্থানান্তরের কার্যক্রম শুরু হয়।

সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী সোমবার থেকে হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। হজের প্রথম ধাপে মুসল্লিরা মিনায় অবস্থান করবেন। সেখানে তারা নামাজ, ইবাদত ও দোয়ার মধ্য দিয়ে সময় অতিবাহিত করবেন।

হাজিদের অস্থায়ী আবাসস্থল হিসেবে পরিচিত মিনাকে বলা হয় ‘তাঁবুনগরী’। প্রতি বছর হজ মৌসুমে বিপুলসংখ্যক মুসল্লির জন্য মিনায় লাখো তাঁবুর ব্যবস্থা করা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, হাজিদের নিরাপদ ও সুশৃঙ্খলভাবে মিনায় পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি ও ব্যবস্থাপনা আগেই সম্পন্ন করা হয়েছে।

হজকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা, পরিবহন ও জরুরি সেবা কার্যক্রম আরও জোরদার করেছে সৌদি প্রশাসন। পাশাপাশি তীব্র গরমের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে হাজিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা।

হজের ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে মিনায় অবস্থানের পর হজযাত্রীরা আরাফাতের ময়দানে সমবেত হবেন। পরে মুজদালিফায় অবস্থান এবং জামারাতে শয়তানকে পাথর নিক্ষেপসহ অন্যান্য ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন।