০৭:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

ঝিকরগাছায় বাঁশবাগান থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, হত্যার সন্দেহ পুলিশের

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:৩৭:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
  • ৫০২

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার কীর্তিপুর এলাকায় মিম (৩৫) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন থাকায় এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বৃহস্পতিবার ভোরে কীর্তিপুর এলাকার যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক সংলগ্ন একটি বাঁশবাগান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত মিম স্থানীয় মশিয়ার রহমান ওরফে মশির ছেলে বলে জানা গেছে।

গোলাম কিবরিয়া হাসান জানান, বুধবার বিকেলে মিম বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফেরেননি। পরে ভোরে পথচারীরা মহাসড়কের পাশে বাঁশবাগানে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, নিহতের মাথার পেছনে ধারালো অস্ত্রের গভীর কোপের চিহ্ন রয়েছে। আঘাত এতটাই গুরুতর ছিল যে মাথার অংশ ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায়। পুলিশের ধারণা, রাতের কোনো একসময় দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে মরদেহ ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে যায়।

এদিকে নিহতের স্ত্রী নিলা খাতুন জানান, তিনি বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্বামীর সঙ্গে তার শেষবার কথা হয়। রাতে শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার কথা থাকলেও মিম সেখানে যাননি। পরে একাধিকবার ফোন করেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

তিনি দাবি করেন, মিমের কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে বিরোধ ছিল এবং তারাই এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।

ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

সর্বাধিক পঠিত

ঝিকরগাছায় বাঁশবাগান থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, হত্যার সন্দেহ পুলিশের

ঝিকরগাছায় বাঁশবাগান থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, হত্যার সন্দেহ পুলিশের

আপডেট: ০৬:৩৭:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার কীর্তিপুর এলাকায় মিম (৩৫) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন থাকায় এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বৃহস্পতিবার ভোরে কীর্তিপুর এলাকার যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক সংলগ্ন একটি বাঁশবাগান থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত মিম স্থানীয় মশিয়ার রহমান ওরফে মশির ছেলে বলে জানা গেছে।

গোলাম কিবরিয়া হাসান জানান, বুধবার বিকেলে মিম বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফেরেননি। পরে ভোরে পথচারীরা মহাসড়কের পাশে বাঁশবাগানে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, নিহতের মাথার পেছনে ধারালো অস্ত্রের গভীর কোপের চিহ্ন রয়েছে। আঘাত এতটাই গুরুতর ছিল যে মাথার অংশ ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায়। পুলিশের ধারণা, রাতের কোনো একসময় দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যা করে মরদেহ ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে যায়।

এদিকে নিহতের স্ত্রী নিলা খাতুন জানান, তিনি বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। বুধবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্বামীর সঙ্গে তার শেষবার কথা হয়। রাতে শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার কথা থাকলেও মিম সেখানে যাননি। পরে একাধিকবার ফোন করেও তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

তিনি দাবি করেন, মিমের কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে বিরোধ ছিল এবং তারাই এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।

ঘটনার রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।