০৬:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

যশোরে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম: চার ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ২৩ হাজার টাকা জরিমানা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:০৬:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • ৫২৮

যশোরে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় চরম অনিয়ম ও পরিবেশ দূষণের অভিযোগে চারটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে মোট ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। বুধবার দুপুরে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ জরিমানা আদায় করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগম। অভিযানে চিকিৎসা বর্জ্য যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও অপসারণ না করা, বিধিমালা উপেক্ষা করে ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য ফেলে রাখা এবং পরিবেশ দূষণের নানা প্রমাণ পাওয়া যায়।

এ সময় পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫-এর ১৫(২) ধারা এবং চিকিৎসা বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮-এর ৯ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়।

জরিমানাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—

পপুলার ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার — ১০ হাজার টাকা
সিএমসি ডায়াগনস্টিক সেন্টার — ৫ হাজার টাকা* ডিএনএ ডায়াগনস্টিক সেন্টার — ৫ হাজার টাকা
পিয়ারলেস ডায়াগনস্টিক সেন্টার — ৩ হাজার টাকা

অভিযান পরিচালনাকালে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর যশোর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান, পরিদর্শক মো. জাহিদ হাসানসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষায় চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। পরিবেশ দূষণ রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের মোবাইল কোর্ট অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বাধিক পঠিত

লালমনিরহাট সীমান্তের তিন পয়েন্টে ৩৩ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির তৎপরতায় ব্যর্থ বিএসএফ

যশোরে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম: চার ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ২৩ হাজার টাকা জরিমানা

আপডেট: ১০:০৬:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

যশোরে চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় চরম অনিয়ম ও পরিবেশ দূষণের অভিযোগে চারটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে মোট ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। বুধবার দুপুরে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এ জরিমানা আদায় করা হয়।

অভিযান পরিচালনা করেন খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগম। অভিযানে চিকিৎসা বর্জ্য যথাযথভাবে সংরক্ষণ ও অপসারণ না করা, বিধিমালা উপেক্ষা করে ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য ফেলে রাখা এবং পরিবেশ দূষণের নানা প্রমাণ পাওয়া যায়।

এ সময় পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫-এর ১৫(২) ধারা এবং চিকিৎসা বর্জ্য (ব্যবস্থাপনা ও প্রক্রিয়াজাতকরণ) বিধিমালা, ২০০৮-এর ৯ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়।

জরিমানাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—

পপুলার ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার — ১০ হাজার টাকা
সিএমসি ডায়াগনস্টিক সেন্টার — ৫ হাজার টাকা* ডিএনএ ডায়াগনস্টিক সেন্টার — ৫ হাজার টাকা
পিয়ারলেস ডায়াগনস্টিক সেন্টার — ৩ হাজার টাকা

অভিযান পরিচালনাকালে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর যশোর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান, পরিদর্শক মো. জাহিদ হাসানসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ রক্ষায় চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। পরিবেশ দূষণ রোধে ভবিষ্যতেও এ ধরনের মোবাইল কোর্ট অভিযান অব্যাহত থাকবে।