০৭:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

গোপন ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবি, ঝিকরগাছায় প্রেমিকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
  • ৫৪৫

যশোরের ঝিকরগাছায় এক তরুণীর গোপন ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে প্রেমিকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি আইনে আদালতে মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত নিয়াজ মাহমুদ মাহিন (২৯) উপজেলার হাড়িয়া দেয়াড়া গ্রামের বাসিন্দা।

জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব আহমেদ ইমন অভিযোগটি আমলে নিয়ে মামলাটি তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন এবং তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ফেসবুকের মাধ্যমে ভুক্তভোগী তরুণীর সঙ্গে মাহিনের পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ গড়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। সম্পর্ক চলাকালে তারা ভিডিও কলে কথা বলতেন।

অভিযোগে বলা হয়, এই সময় মাহিন গোপনে মোবাইল ফোনের ক্যামেরা ব্যবহার করে তরুণীর কিছু ব্যক্তিগত ও অশ্লীল ছবি ধারণ করে রাখেন, যা তিনি তখন জানতেন না।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৯ মে রাত ১১টার দিকে মাহিন তাকে ফোন করে তিন লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে গোপন ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন তিনি।

তরুণী টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মাহিন তাকে বাড়ির সামনে যেতে বলেন। পরে তিনি সেখানে গিয়ে ছবিগুলো মুছে ফেলার অনুরোধ করেন। তবে মাহিন টাকা ছাড়া কোনো ছবি ডিলিট করবেন না বলে সেখান থেকে চলে যান বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে ওই তরুণী আদালতের শরণাপন্ন হন। আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

বেনাপোলে চোরাচালান মামলা ঘিরে বিজিবির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন: ‘পরিকল্পিত অপপ্রচারের’ অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

গোপন ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবি, ঝিকরগাছায় প্রেমিকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা

আপডেট: ১০:০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

যশোরের ঝিকরগাছায় এক তরুণীর গোপন ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে প্রেমিকের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি আইনে আদালতে মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত নিয়াজ মাহমুদ মাহিন (২৯) উপজেলার হাড়িয়া দেয়াড়া গ্রামের বাসিন্দা।

জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সাকিব আহমেদ ইমন অভিযোগটি আমলে নিয়ে মামলাটি তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন এবং তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিলের নির্দেশ দেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ফেসবুকের মাধ্যমে ভুক্তভোগী তরুণীর সঙ্গে মাহিনের পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ গড়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। সম্পর্ক চলাকালে তারা ভিডিও কলে কথা বলতেন।

অভিযোগে বলা হয়, এই সময় মাহিন গোপনে মোবাইল ফোনের ক্যামেরা ব্যবহার করে তরুণীর কিছু ব্যক্তিগত ও অশ্লীল ছবি ধারণ করে রাখেন, যা তিনি তখন জানতেন না।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৯ মে রাত ১১টার দিকে মাহিন তাকে ফোন করে তিন লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে গোপন ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন তিনি।

তরুণী টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মাহিন তাকে বাড়ির সামনে যেতে বলেন। পরে তিনি সেখানে গিয়ে ছবিগুলো মুছে ফেলার অনুরোধ করেন। তবে মাহিন টাকা ছাড়া কোনো ছবি ডিলিট করবেন না বলে সেখান থেকে চলে যান বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

পরে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে ওই তরুণী আদালতের শরণাপন্ন হন। আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। মামলা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।