০১:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

যশোরে সাংবাদিককে মারধর ও চাঁদা দাবি: চিকিৎসক দুলাভাইসহ দুজনের বিরুদ্ধে মামলা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
  • ৫৩২

শ্যালিকাকে ধর্ষণের ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের জেরে এশিয়ান টিভির যশোর জেলা প্রতিনিধি **হাসিবুর রহমান শামীমকে** মারধর, চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত চিকিৎসক দুলাভাইসহ দুজনের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার (৭ মে) যশোরের আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

যশোর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য **ডিবি পুলিশকে** নির্দেশ দিয়েছেন।

ডা. রাফসান জানি:** মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার এবং যশোর সদর উপজেলার ঘুরুলিয়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।

এম জিহাদ আলী:** বাঘারপাড়া উপজেলার যাদবপুর গ্রামের জিল্লুর রহমানের ছেলে।

মামলার আরজিতে বাদী হাসিবুর রহমান শামীম উল্লেখ করেন, ডা. রাফসান জানির বিরুদ্ধে তার নিজের শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে মনিরামপুর থানায় একটি মামলা রয়েছে। ওই ধর্ষণের খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে আসামিরা সাংবাদিকদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়। এমনকি তারা যশোরের ১০ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আদালতে একটি পাল্টা মামলাও দায়ের করে।

ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে সাংবাদিক শামীম নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দেন, যা আসামিদের আরও উসকে দেয়। অভিযোগ অনুযায়ী:

,আসামিরা দুটি মোটরসাইকেলে করে সাংবাদিক শামীমের বাড়ির সামনে গিয়ে তাকে গালিগালাজ ও ডাকাডাকি করে।
শামীম বাইরে এলে আসামিরা তার কাছে **২ লাখ টাকা চাঁদা** দাবি করে।
চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় আসামিরা তাকে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে এবং টাকা না দিলে হাত কেটে ফেলাসহ হত্যার হুমকি দেয়।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাংবাদিক হাসিবুর রহমান শামীম আদালতের দ্বারস্থ হন। বিচারক বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে মামলাটি তদন্তের জন্য জেলা গোয়েন্দা শাখাকে (ডিবি) দায়িত্ব দিয়েছেন।

> **উল্লেখ্য:** অভিযুক্ত ডা. রাফসান জানির বিরুদ্ধে শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। এর মধ্যেই সাংবাদিকদের ওপর এমন হামলার ঘটনায় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।

সর্বাধিক পঠিত

বেনাপোলে সোনা, ডলার ও ওষুধ চোরাচালানের ‘ডন’ ইকরামুলের বিরুদ্ধে বিজিবির মামলা

যশোরে সাংবাদিককে মারধর ও চাঁদা দাবি: চিকিৎসক দুলাভাইসহ দুজনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট: ১০:০৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

শ্যালিকাকে ধর্ষণের ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের জেরে এশিয়ান টিভির যশোর জেলা প্রতিনিধি **হাসিবুর রহমান শামীমকে** মারধর, চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত চিকিৎসক দুলাভাইসহ দুজনের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার (৭ মে) যশোরের আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

যশোর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য **ডিবি পুলিশকে** নির্দেশ দিয়েছেন।

ডা. রাফসান জানি:** মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার এবং যশোর সদর উপজেলার ঘুরুলিয়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে।

এম জিহাদ আলী:** বাঘারপাড়া উপজেলার যাদবপুর গ্রামের জিল্লুর রহমানের ছেলে।

মামলার আরজিতে বাদী হাসিবুর রহমান শামীম উল্লেখ করেন, ডা. রাফসান জানির বিরুদ্ধে তার নিজের শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে মনিরামপুর থানায় একটি মামলা রয়েছে। ওই ধর্ষণের খবর বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে আসামিরা সাংবাদিকদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়। এমনকি তারা যশোরের ১০ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে আদালতে একটি পাল্টা মামলাও দায়ের করে।

ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে সাংবাদিক শামীম নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দেন, যা আসামিদের আরও উসকে দেয়। অভিযোগ অনুযায়ী:

,আসামিরা দুটি মোটরসাইকেলে করে সাংবাদিক শামীমের বাড়ির সামনে গিয়ে তাকে গালিগালাজ ও ডাকাডাকি করে।
শামীম বাইরে এলে আসামিরা তার কাছে **২ লাখ টাকা চাঁদা** দাবি করে।
চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় আসামিরা তাকে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে এবং টাকা না দিলে হাত কেটে ফেলাসহ হত্যার হুমকি দেয়।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাংবাদিক হাসিবুর রহমান শামীম আদালতের দ্বারস্থ হন। বিচারক বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে মামলাটি তদন্তের জন্য জেলা গোয়েন্দা শাখাকে (ডিবি) দায়িত্ব দিয়েছেন।

> **উল্লেখ্য:** অভিযুক্ত ডা. রাফসান জানির বিরুদ্ধে শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। এর মধ্যেই সাংবাদিকদের ওপর এমন হামলার ঘটনায় স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।