তপ্ত রোদে যখন জনজীবন ওষ্ঠাগত, ঠিক তখনই প্রকৃতির আশীর্বাদ হয়ে গ্রীষ্মের বার্তা নিয়ে বাজারে উঠেছে রসাল ফল লিচু। মাগুরার মহম্মদপুর সদরসহ উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে এখন লাল টকটকে এই মৌসুমি ফলের আগাম আগমন দেখা যাচ্ছে। যদিও লিচুর ভরা মৌসুম শুরু হতে আরও কিছুদিন বাকি, তবুও দেশি আগাম জাতের লিচুর সুবাসে মুখরিত হয়ে উঠেছে স্থানীয় বাজারগুলো।
সরেজমিনে মহম্মদপুর সদরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ছোট ছোট আটি বা থোকায় থোকায় সাজিয়ে লিচু বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। লালচে রঙের এই লিচুগুলো মূলত স্থানীয় জাতের। বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীদের মতে, চলমান তীব্র তাপদাহের কারণে এবার অনেক জায়গায় লিচু দ্রুত পেকে যাওয়ায় স্বাভাবিক সময়ের আগেই বাজারে ফলন আসতে শুরু করেছে।
তারা জানান, এখন বাজারে যে লিচু পাওয়া যাচ্ছে তা মূলত দেশি জাতের, আকারে কিছুটা ছোট হলেও স্বাদে বেশ মিষ্টি ও রসাল। তবে পূর্ণ মৌসুম শুরু হলে আরও উন্নত মানের বড় আকারের লিচু বাজারে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বর্তমানে বাজারে আকার ও মানভেদে প্রতি ১০০ লিচু বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকায়। দাম কিছুটা বেশি হলেও মৌসুমের প্রথম ফল হিসেবে ক্রেতাদের আগ্রহে কোনো ঘাটতি নেই।
বাজারে কেনাকাটা করতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী আব্দুল আলিম বলেন, “এখনই লিচু উঠতে শুরু করেছে। বাসার ছোটদের জন্য ১০০ লিচু কিনেছি। দাম একটু বেশি হলেও মৌসুমের প্রথম লিচুর আনন্দই আলাদা।”
অন্যদিকে লিচু বিক্রেতা মো. শাকিল শিকদার জানান, বর্তমানে বাজারে দেশি জাতের লিচু বেশি আসছে। তিনি বলেন, “এই লিচুগুলো আকারে ছোট হলেও বেশ মিষ্টি। তবে ক্রেতারা এখন অপেক্ষা করছেন ‘বোম্বাই’ ও ‘চায়না-৩’ জাতের লিচুর জন্য। ওই লিচু বাজারে এলে বিক্রি আরও কয়েকগুণ বাড়বে।”




















