০৬:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬
  • ৫৩৭

যশোরের ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে প্রতিনিয়তই নানা ধরনের প্রতারণার ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মোবাইল চুরি, ভ্যানিটি ব্যাগ ছিনতাই থেকে শুরু করে রোগীদের কাছ থেকে কৌশলে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে নিয়মিত।

বিশেষ করে গ্রাম থেকে আসা সহজ-সরল মানুষদের টার্গেট করছে একটি সক্রিয় দালাল চক্র। তারা রোগীদের ভুল বুঝিয়ে হাসপাতালের বাইরে বিভিন্ন ক্লিনিকে নিয়ে গিয়ে অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে অর্থ আদায় করছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এসব ঘটনা বারবার কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতারণার ঘটনা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এ পরিস্থিতিতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

রবিবার দুপুরে হাসপাতাল চত্বর থেকে এক দালাল সদস্যকে হাতেনাতে আটক করা হলেও পরে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা।

ভুক্তভোগীদের আরও দাবি, হাসপাতালের আশপাশে গড়ে ওঠা কিছু ক্লিনিক এই দালাল চক্রকে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে, যা পুরো বিষয়টিকে আরও জটিল করে তুলছে।

সচেতন মহলের মতে, দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা না নিলে সাধারণ রোগীদের ভোগান্তি আরও বাড়বে এবং স্বাস্থ্যসেবার প্রতি মানুষের আস্থা কমে যাবে।

সর্বাধিক পঠিত

বেনাপোলে সোনা, ডলার ও ওষুধ চোরাচালানের ‘ডন’ ইকরামুলের বিরুদ্ধে বিজিবির মামলা

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য

আপডেট: ১০:০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

যশোরের ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে প্রতিনিয়তই নানা ধরনের প্রতারণার ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মোবাইল চুরি, ভ্যানিটি ব্যাগ ছিনতাই থেকে শুরু করে রোগীদের কাছ থেকে কৌশলে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে নিয়মিত।

বিশেষ করে গ্রাম থেকে আসা সহজ-সরল মানুষদের টার্গেট করছে একটি সক্রিয় দালাল চক্র। তারা রোগীদের ভুল বুঝিয়ে হাসপাতালের বাইরে বিভিন্ন ক্লিনিকে নিয়ে গিয়ে অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে অর্থ আদায় করছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এসব ঘটনা বারবার কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতারণার ঘটনা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এ পরিস্থিতিতে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি ও দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

রবিবার দুপুরে হাসপাতাল চত্বর থেকে এক দালাল সদস্যকে হাতেনাতে আটক করা হলেও পরে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা।

ভুক্তভোগীদের আরও দাবি, হাসপাতালের আশপাশে গড়ে ওঠা কিছু ক্লিনিক এই দালাল চক্রকে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে, যা পুরো বিষয়টিকে আরও জটিল করে তুলছে।

সচেতন মহলের মতে, দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা না নিলে সাধারণ রোগীদের ভোগান্তি আরও বাড়বে এবং স্বাস্থ্যসেবার প্রতি মানুষের আস্থা কমে যাবে।