০৮:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

যশোর আদালতে মাহমুদা কাণ্ডে সংঘর্ষ, শ্লীলতাহানির অভিযোগে উত্তেজনা—একজনের কারাদণ্ড

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:২৬:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
  • ৫০৭

আদালত ভবনের ভেতরে আলোচিত প্রতারণা মামলার আসামি মাহমুদাকে কেন্দ্র করে ভুক্তভোগী ও তার স্বজনদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার শ্লীলতাহানি ও পাল্টাপাল্টি মারধরের অভিযোগে আদালত প্রাঙ্গণে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এজলাসের সামনে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে উত্তেজনা বাড়তে থাকলে মাহমুদার ভাই এক ভুক্তভোগী নারীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উপস্থিত অন্যরা পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং পরিস্থিতি হাতাহাতিতে গড়ায়। ধস্তাধস্তির সময় মাহমুদার ভাই সিঁড়িতে পড়ে আহত হন।

ঘটনার খবর পেয়ে কোর্ট পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে মারামারিতে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই নারীসহ তিনজন ভুক্তভোগীকে আটক করে তাৎক্ষণিকভাবে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

বিচারক Asadul Islam বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে পুরাতন কসবার হেদায়েত হোসেনের ছেলে ইমরানকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই সঙ্গে ঘোপ জেলরোড এলাকার তালজিলা রহমান ও শেখহাটির ইন্নাতুল হাসানকে মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া হয়।

বাদীপক্ষের আইনজীবী Fainara Barna জানান, সোমবার মাহমুদার বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি মামলার রিমান্ড শুনানি ও জামিন আবেদনের দিন নির্ধারিত ছিল। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এজলাস থেকে বের হওয়ার পর সিঁড়ির কাছে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়ে মারামারির ঘটনা ঘটে।
উল্লেখ্য, কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত ৭ মার্চ ভুক্তভোগীরা মাহমুদাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। ওইদিনই থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরদিন আদালতে আরও আটটি মামলা এবং তার পরের দিন আরও একটি মামলা করা হয়। এছাড়া তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্থানে প্রতারণার অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

যশোর আদালতে মাহমুদা কাণ্ডে সংঘর্ষ, শ্লীলতাহানির অভিযোগে উত্তেজনা—একজনের কারাদণ্ড

যশোর আদালতে মাহমুদা কাণ্ডে সংঘর্ষ, শ্লীলতাহানির অভিযোগে উত্তেজনা—একজনের কারাদণ্ড

আপডেট: ০৮:২৬:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

আদালত ভবনের ভেতরে আলোচিত প্রতারণা মামলার আসামি মাহমুদাকে কেন্দ্র করে ভুক্তভোগী ও তার স্বজনদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার শ্লীলতাহানি ও পাল্টাপাল্টি মারধরের অভিযোগে আদালত প্রাঙ্গণে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এজলাসের সামনে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে কথাকাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে উত্তেজনা বাড়তে থাকলে মাহমুদার ভাই এক ভুক্তভোগী নারীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উপস্থিত অন্যরা পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেখায় এবং পরিস্থিতি হাতাহাতিতে গড়ায়। ধস্তাধস্তির সময় মাহমুদার ভাই সিঁড়িতে পড়ে আহত হন।

ঘটনার খবর পেয়ে কোর্ট পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে মারামারিতে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই নারীসহ তিনজন ভুক্তভোগীকে আটক করে তাৎক্ষণিকভাবে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

বিচারক Asadul Islam বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে পুরাতন কসবার হেদায়েত হোসেনের ছেলে ইমরানকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। একই সঙ্গে ঘোপ জেলরোড এলাকার তালজিলা রহমান ও শেখহাটির ইন্নাতুল হাসানকে মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া হয়।

বাদীপক্ষের আইনজীবী Fainara Barna জানান, সোমবার মাহমুদার বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি মামলার রিমান্ড শুনানি ও জামিন আবেদনের দিন নির্ধারিত ছিল। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এজলাস থেকে বের হওয়ার পর সিঁড়ির কাছে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়ে মারামারির ঘটনা ঘটে।
উল্লেখ্য, কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত ৭ মার্চ ভুক্তভোগীরা মাহমুদাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। ওইদিনই থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরদিন আদালতে আরও আটটি মামলা এবং তার পরের দিন আরও একটি মামলা করা হয়। এছাড়া তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্থানে প্রতারণার অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে।