০৮:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রস্তুতি, চাহিদা মেটাতে বাড়তি আমদানির পরিকল্পনা অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৪:১৫:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
  • ৫১০

দেশে প্রতিদিন দেশীয় উৎস থেকে প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০ টন পেট্রল ও অকটেন উৎপাদন হচ্ছে, যেখানে দৈনিক চাহিদা রয়েছে প্রায় ১১০০ থেকে ১২০০ টন। ফলে চাহিদা পূরণে আমদানির ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে জ্বালানি খাতকে।

জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, আগামী জুন মাস পর্যন্ত পরিশোধিত জ্বালানি তেল কেনার চুক্তি রয়েছে। তবে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানিতে কোনো ধরনের সমস্যা দেখা দিলে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তেল পরিশোধনে সংকটে পড়তে পারে। সে ক্ষেত্রে মে মাসে চুক্তি অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহে কিছুটা বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার বিকল্প প্রস্তুতি নিচ্ছে। সরকারি পর্যায়ে সরাসরি ক্রয় অথবা উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে অতিরিক্ত জ্বালানি তেল আমদানির পরিকল্পনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহের জন্য ভারতের কাছেও আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ।
জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে এবং যেসব জাহাজ তেল নিয়ে আসছে, তাতে মার্চ মাসে বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। তবে কেউ যদি প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল কিনে মজুত করতে শুরু করেন, তাহলে বাজারে কৃত্রিম চাপ তৈরি হতে পারে।

সর্বাধিক পঠিত

দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রস্তুতি, চাহিদা মেটাতে বাড়তি আমদানির পরিকল্পনা অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রস্তুতি, চাহিদা মেটাতে বাড়তি আমদানির পরিকল্পনা অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

আপডেট: ০৪:১৫:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

দেশে প্রতিদিন দেশীয় উৎস থেকে প্রায় ৬০০ থেকে ৭০০ টন পেট্রল ও অকটেন উৎপাদন হচ্ছে, যেখানে দৈনিক চাহিদা রয়েছে প্রায় ১১০০ থেকে ১২০০ টন। ফলে চাহিদা পূরণে আমদানির ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে জ্বালানি খাতকে।

জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, আগামী জুন মাস পর্যন্ত পরিশোধিত জ্বালানি তেল কেনার চুক্তি রয়েছে। তবে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানিতে কোনো ধরনের সমস্যা দেখা দিলে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তেল পরিশোধনে সংকটে পড়তে পারে। সে ক্ষেত্রে মে মাসে চুক্তি অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহে কিছুটা বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার বিকল্প প্রস্তুতি নিচ্ছে। সরকারি পর্যায়ে সরাসরি ক্রয় অথবা উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে অতিরিক্ত জ্বালানি তেল আমদানির পরিকল্পনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহের জন্য ভারতের কাছেও আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ।
জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে দেশে যে পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে এবং যেসব জাহাজ তেল নিয়ে আসছে, তাতে মার্চ মাসে বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। তবে কেউ যদি প্রয়োজনের অতিরিক্ত তেল কিনে মজুত করতে শুরু করেন, তাহলে বাজারে কৃত্রিম চাপ তৈরি হতে পারে।