১২:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিমানবন্দর ও ইরাকের তেল শোধনাগারে পৃথক ড্রোন হামলা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:২৬:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
  • ৬১৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের দুই দেশ কুয়েত ও ইরাকে পৃথক ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং ইরাকের এরবিল শহরের একটি তেল শোধনাগারকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।
:
কুয়েত কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যমতে, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে চালানো ড্রোন হামলায় তাদের রাডার সিস্টেমের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে বড় ধরনের কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বিমানবন্দরের কর্মী বা যাত্রীরা নিরাপদ রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। হামলার পরপরই বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
:
অন্যদিকে, ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের এরবিল শহরে একটি তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলা চালানো হয়। হামলার ফলে শোধনাগারটিতে বিশাল অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং বড় ধরনের বিপদ এড়াতে সেখানে সাময়িকভাবে তেল উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এই দুই হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে এ ঘটনায় ওই অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। হামলার কারণ ও উৎস অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট দেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো তদন্ত শুরু করেছে।

সর্বাধিক পঠিত

বড় আঁচড়ায় পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ

বিমানবন্দর ও ইরাকের তেল শোধনাগারে পৃথক ড্রোন হামলা

আপডেট: ১০:২৬:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের দুই দেশ কুয়েত ও ইরাকে পৃথক ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং ইরাকের এরবিল শহরের একটি তেল শোধনাগারকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়।
:
কুয়েত কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যমতে, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে চালানো ড্রোন হামলায় তাদের রাডার সিস্টেমের একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে বড় ধরনের কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বিমানবন্দরের কর্মী বা যাত্রীরা নিরাপদ রয়েছেন বলে জানানো হয়েছে। হামলার পরপরই বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।
:
অন্যদিকে, ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের এরবিল শহরে একটি তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলা চালানো হয়। হামলার ফলে শোধনাগারটিতে বিশাল অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং বড় ধরনের বিপদ এড়াতে সেখানে সাময়িকভাবে তেল উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী এই দুই হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে এ ঘটনায় ওই অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। হামলার কারণ ও উৎস অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট দেশের নিরাপত্তা সংস্থাগুলো তদন্ত শুরু করেছে।