০৬:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

অভয়নগরে মেলার নামে প্রতারণার অভিযোগ: অগ্রিম টাকা ও ক্ষতিপূরণ দাবি ব্যবসায়ীদের

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:২৭:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬
  • ৫২৮

যশোরের অভয়নগরে মেলার নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। আয়োজকদের আশ্বাসে বিশ্বাস করে স্টল বরাদ্দ নিলেও এখন মেলার বৈধতা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ফলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে অগ্রিম টাকা ফেরতসহ ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, আয়োজক পটল বাবুর ব্যাপক প্রচারণা এবং সংস্থাটির সভাপতি ফারজানা ইয়াসমিনের আশ্বাসে তারা স্টল বরাদ্দ নিয়েছিলেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, মেলার প্রয়োজনীয় সকল প্রশাসনিক অনুমোদন রয়েছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে অনেক ব্যবসায়ী বিপুল অর্থ ব্যয় করে দোকান সাজিয়েছেন। কিন্তু বর্তমানে মেলার বৈধতা নিয়ে ভিন্ন কথা শোনা যাচ্ছে, যা তাদের দুশ্চিন্তায় ফেলেছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, মেলার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় তারা এখন দিশেহারা। তারা দ্রুত তাদের জমা দেওয়া অগ্রিম টাকা ফেরত এবং দোকান সাজানোর পেছনে হওয়া লোকসানের ক্ষতিপূরণ দাবি করছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংস্থাটির সভাপতি ফারজানা ইয়াসমিন জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে তিনি আগামী রোববার জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। তবে বিষয়টি নিয়ে এই মুহূর্তে বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করতে তিনি রাজি হননি।
উল্লেখ্য, এর আগে অভয়নগর ইনস্টিটিউট মাঠে স্থানীয় একটি চক্র ঈদ বাজারের নামে অবৈধভাবে মেলার আয়োজন করেছিল। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে কয়েকদিনের মাথায় সেই মেলাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। বর্তমান মেলাটিকে কেন্দ্র করে আবারও একই ধরনের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঘটছে কি না, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

চৌগাছায় কাঠালের ভেতরে লুকানো মাদকসহ ব্যক্তি আটক

অভয়নগরে মেলার নামে প্রতারণার অভিযোগ: অগ্রিম টাকা ও ক্ষতিপূরণ দাবি ব্যবসায়ীদের

আপডেট: ০৯:২৭:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

যশোরের অভয়নগরে মেলার নামে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। আয়োজকদের আশ্বাসে বিশ্বাস করে স্টল বরাদ্দ নিলেও এখন মেলার বৈধতা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ফলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ে অগ্রিম টাকা ফেরতসহ ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, আয়োজক পটল বাবুর ব্যাপক প্রচারণা এবং সংস্থাটির সভাপতি ফারজানা ইয়াসমিনের আশ্বাসে তারা স্টল বরাদ্দ নিয়েছিলেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, মেলার প্রয়োজনীয় সকল প্রশাসনিক অনুমোদন রয়েছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে অনেক ব্যবসায়ী বিপুল অর্থ ব্যয় করে দোকান সাজিয়েছেন। কিন্তু বর্তমানে মেলার বৈধতা নিয়ে ভিন্ন কথা শোনা যাচ্ছে, যা তাদের দুশ্চিন্তায় ফেলেছে।
ভুক্তভোগীরা জানান, মেলার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় তারা এখন দিশেহারা। তারা দ্রুত তাদের জমা দেওয়া অগ্রিম টাকা ফেরত এবং দোকান সাজানোর পেছনে হওয়া লোকসানের ক্ষতিপূরণ দাবি করছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংস্থাটির সভাপতি ফারজানা ইয়াসমিন জানান, উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে তিনি আগামী রোববার জেলা প্রশাসকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। তবে বিষয়টি নিয়ে এই মুহূর্তে বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করতে তিনি রাজি হননি।
উল্লেখ্য, এর আগে অভয়নগর ইনস্টিটিউট মাঠে স্থানীয় একটি চক্র ঈদ বাজারের নামে অবৈধভাবে মেলার আয়োজন করেছিল। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে কয়েকদিনের মাথায় সেই মেলাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। বর্তমান মেলাটিকে কেন্দ্র করে আবারও একই ধরনের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঘটছে কি না, তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।