১১:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬

শাহজালাল বিমানবন্দরে নিয়োগ জালিয়াতির ৭৬টি স্পাই ডিভাইস জব্দ, আটক ২

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৪:১১:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬২৩

– হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহিরাঙ্গন এলাকা থেকে নিয়োগ পরীক্ষা ও ভর্তি পরীক্ষার জালিয়াতিতে ব্যবহৃত বিপুল সংখ্যক ইলেকট্রনিক স্পাই ডিভাইস জব্দ করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন-১৩)। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে এপিবিএন।
:
* শাহারুন আলী (৩৮)
* মো. ইকবাল হোসেন জীবন (৩৫)
এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ জানায়, আটককৃতদের কাছ থেকে মোট ৭৬ পিস ডিজিটাল ইলেকট্রনিক স্পাই ডিভাইস, ৫০ পিস ইয়ারপিস, ৩টি ল্যাপটপ এবং ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানায়, শাহারুন আলী সাধারণ যাত্রীবেশে চীন থেকে এই ডিভাইসগুলো নিয়ে আসেন। বিমানবন্দরে অপেক্ষায় থাকা চক্রের আরেক সদস্য মো. ইকবাল হোসেন জীবনের সঙ্গে একত্রিত হয়ে তারা বিমানবন্দর ত্যাগের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
এপিবিএন জানায়, এই স্পাই ডিভাইসগুলো বিভিন্ন নিয়োগ ও ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির কাজে ব্যবহৃত হয়। এই সেটআপে সাধারণত তিনটি মূল অংশ থাকে:
: এটি দেখতে ক্রেডিট কার্ডের মতো হওয়ায় সহজে শনাক্ত করা যায় না। এটি সিমের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে এবং শরীরের কাছে রাখলে বা ঝুলিয়ে রাখলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইনকামিং কল রিসিভ করে।
এটি অত্যন্ত ছোট হওয়ায় কানের গহ্বরে প্রবেশ করানো হয় এবং বাহির থেকে বোঝা যায় না। এর মাধ্যমে পরীক্ষার্থী হলের বাইরে থাকা জালিয়াতি চক্রের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে। পরীক্ষা শেষে এটি ব্যবহার করে পরীক্ষার্থীরা নিরাপদে ইয়ারপিসটি কান থেকে বের করে আনে।
এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এর অপারেশনাল কমান্ডার পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ মোজাম্মেল হক জানান, “এই ডিভাইসগুলো আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য। ইতোপূর্বে জালিয়াতির কাজে অসাধু ব্যক্তিরা এগুলো ব্যবহার করেছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। আমরা যেকোনো অসাধু কার্যক্রম ঠেকাতে নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করছি।”
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আজ বিমানবন্দর থানায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

মন্দিরে নামযজ্ঞ চলাকালে মনিরামপুরে যুবককে কুপিয়ে জখম

শাহজালাল বিমানবন্দরে নিয়োগ জালিয়াতির ৭৬টি স্পাই ডিভাইস জব্দ, আটক ২

আপডেট: ০৪:১১:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫

– হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহিরাঙ্গন এলাকা থেকে নিয়োগ পরীক্ষা ও ভর্তি পরীক্ষার জালিয়াতিতে ব্যবহৃত বিপুল সংখ্যক ইলেকট্রনিক স্পাই ডিভাইস জব্দ করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন-১৩)। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে এপিবিএন।
:
* শাহারুন আলী (৩৮)
* মো. ইকবাল হোসেন জীবন (৩৫)
এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ জানায়, আটককৃতদের কাছ থেকে মোট ৭৬ পিস ডিজিটাল ইলেকট্রনিক স্পাই ডিভাইস, ৫০ পিস ইয়ারপিস, ৩টি ল্যাপটপ এবং ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা জানায়, শাহারুন আলী সাধারণ যাত্রীবেশে চীন থেকে এই ডিভাইসগুলো নিয়ে আসেন। বিমানবন্দরে অপেক্ষায় থাকা চক্রের আরেক সদস্য মো. ইকবাল হোসেন জীবনের সঙ্গে একত্রিত হয়ে তারা বিমানবন্দর ত্যাগের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
এপিবিএন জানায়, এই স্পাই ডিভাইসগুলো বিভিন্ন নিয়োগ ও ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির কাজে ব্যবহৃত হয়। এই সেটআপে সাধারণত তিনটি মূল অংশ থাকে:
: এটি দেখতে ক্রেডিট কার্ডের মতো হওয়ায় সহজে শনাক্ত করা যায় না। এটি সিমের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে এবং শরীরের কাছে রাখলে বা ঝুলিয়ে রাখলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইনকামিং কল রিসিভ করে।
এটি অত্যন্ত ছোট হওয়ায় কানের গহ্বরে প্রবেশ করানো হয় এবং বাহির থেকে বোঝা যায় না। এর মাধ্যমে পরীক্ষার্থী হলের বাইরে থাকা জালিয়াতি চক্রের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে। পরীক্ষা শেষে এটি ব্যবহার করে পরীক্ষার্থীরা নিরাপদে ইয়ারপিসটি কান থেকে বের করে আনে।
এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন এর অপারেশনাল কমান্ডার পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ মোজাম্মেল হক জানান, “এই ডিভাইসগুলো আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য। ইতোপূর্বে জালিয়াতির কাজে অসাধু ব্যক্তিরা এগুলো ব্যবহার করেছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। আমরা যেকোনো অসাধু কার্যক্রম ঠেকাতে নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করছি।”
গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আজ বিমানবন্দর থানায় ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে।