১১:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

মাগুরায় বিএনপি নেতা হত্যা মামলা: সাবেক ওসি বিপ্লব কুমার নাথসহ দুই পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:৩৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫১৪

মাগুরার শালিখায় ২০১৫ সালে পুলিশের গুলিতে বিএনপি নেতা মশিউর রহমান নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ ও পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল থেকে সাবেক ওসি বিপ্লব কুমার নাথকে আটক করা হয়। মাগুরা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক কামরুজ্জামান তাঁর আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিপ্লব কুমার নাথ সর্বশেষ সুন্দরবন জোনের মোংলা টুরিস্ট পুলিশে কর্মরত ছিলেন। তিনি যশোর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহিত কুমার নাথের জামাতা বলে জানা গেছে।

মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি মাগুরার শালিখা উপজেলায় বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সে সময় শালিখা থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন বিপ্লব কুমার নাথ।

অভিযোগ রয়েছে, বিক্ষোভ মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপের পাশাপাশি গুলি চালায়। এতে বিএনপি নেতা মশিউর রহমান নিহত হন।

ঘটনার পর পুলিশের পক্ষ থেকে নাশকতা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দুটি পৃথক মামলা করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ওই মামলাগুলোতে নিহত মশিউর রহমানকেই প্রধান আসামি করা হয়েছিল। বিষয়টি সে সময় ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়।

২০২৪ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মশিউর রহমানের পরিবার এ ঘটনায় বিচার চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়। তাঁর বাবা বাদী হয়ে তৎকালীন ওসি বিপ্লব কুমার নাথসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় এসআই ইসমাইল হোসেনকেও আসামি করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে এই দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কর্মজীবনে বিপ্লব কুমার নাথ মাগুরার শালিখা, চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা, সাতক্ষীরার কলারোয়া ও পাটকেলঘাটা এবং যশোরের কেশবপুর ও মনিরামপুর থানায় দায়িত্ব পালন করেছেন বলে জানা গেছে।

দীর্ঘদিন পর মশিউর রহমান হত্যা মামলায় দুই পুলিশ কর্মকর্তার গ্রেপ্তারের ঘটনায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। নিহতের পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচারের দাবি জানিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সর্বাধিক পঠিত

সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফ সৌরির মরদেহ উদ্ধার, ৫ আগস্টের ভিডিও ঘিরে নানা প্রশ্ন

মাগুরায় বিএনপি নেতা হত্যা মামলা: সাবেক ওসি বিপ্লব কুমার নাথসহ দুই পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

আপডেট: ০৯:৩৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

মাগুরার শালিখায় ২০১৫ সালে পুলিশের গুলিতে বিএনপি নেতা মশিউর রহমান নিহত হওয়ার ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপ্লব কুমার নাথ ও পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) ইসমাইল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল থেকে সাবেক ওসি বিপ্লব কুমার নাথকে আটক করা হয়। মাগুরা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক কামরুজ্জামান তাঁর আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিপ্লব কুমার নাথ সর্বশেষ সুন্দরবন জোনের মোংলা টুরিস্ট পুলিশে কর্মরত ছিলেন। তিনি যশোর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহিত কুমার নাথের জামাতা বলে জানা গেছে।

মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি মাগুরার শালিখা উপজেলায় বিএনপির একটি বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সে সময় শালিখা থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন বিপ্লব কুমার নাথ।

অভিযোগ রয়েছে, বিক্ষোভ মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপের পাশাপাশি গুলি চালায়। এতে বিএনপি নেতা মশিউর রহমান নিহত হন।

ঘটনার পর পুলিশের পক্ষ থেকে নাশকতা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে দুটি পৃথক মামলা করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, ওই মামলাগুলোতে নিহত মশিউর রহমানকেই প্রধান আসামি করা হয়েছিল। বিষয়টি সে সময় ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়।

২০২৪ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মশিউর রহমানের পরিবার এ ঘটনায় বিচার চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়। তাঁর বাবা বাদী হয়ে তৎকালীন ওসি বিপ্লব কুমার নাথসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় এসআই ইসমাইল হোসেনকেও আসামি করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে এই দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কর্মজীবনে বিপ্লব কুমার নাথ মাগুরার শালিখা, চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা, সাতক্ষীরার কলারোয়া ও পাটকেলঘাটা এবং যশোরের কেশবপুর ও মনিরামপুর থানায় দায়িত্ব পালন করেছেন বলে জানা গেছে।

দীর্ঘদিন পর মশিউর রহমান হত্যা মামলায় দুই পুলিশ কর্মকর্তার গ্রেপ্তারের ঘটনায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। নিহতের পরিবার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচারের দাবি জানিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।