যশোরের শার্শা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তার ও কন্যাদহ বাওড় দখলকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের শর্টগানের ছররা গুলিতে একই গ্রামের অন্তত পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শার্শা থানার কন্যাদহ গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে। পরে আহতদের রাত ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
হামলায় আহতরা হলেন—কন্যাদহ গ্রামের মৃত মতিয়ার গাইনের ছেলে শাহ আলম (৩৮) খলিল গাইনের ছেলে আব্দুল্লাহ (৩২) হাশেম গাইনের ছেলে মিঠু (৩০) বকুলের ছেলে শাকিল (১৫) আকবার আলীর ছেলে আকাশ (২০)
তাঁদের শরীর ও হাত-পায়ে শর্টগানের ছররা গুলির আঘাত রয়েছে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, কন্যাদহ এলাকায় আধিপত্য বিস্তার এবং কন্যাদহ বাওড়ের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে আশানুর গ্রুপ ও আহত ব্যক্তিদের পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার বিকেলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতিপক্ষের আশানুর (৪২), ইমলু (৩৫), শাহাজান (৫৫) ও সিরাজুল (৩৫)সহ তাঁদের সহযোগীরা আহতদের ওপর হামলা চালায়।
একপর্যায়ে আশানুর শর্টগান দিয়ে তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
শর্টগানের ছররা গুলিতে পাঁচজনই আহত হন। পরে স্থানীয়ভাবে তাঁদের চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।
ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার খবর পাওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। হামলার সঙ্গে জড়িতদের আটক করতে কন্যাদহ গ্রাম ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালানো হচ্ছে।
তবে হামলার প্রকৃত কারণ, জড়িত ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং অস্ত্র ব্যবহারের বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।




















