০৪:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

সারাফুল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক-সহকারী প্রধান শিক্ষক অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৩:৫০:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০৮

যশোর সদর উপজেলার সারাফুল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পাপিয়া পারভিন ও সহকারী প্রধান শিক্ষক শুভঙ্কর দাসকে অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। গত এক সপ্তাহ ধরে চলা শিক্ষার্থীদের আন্দোলন বৃহস্পতিবার আরও ব্যাপক আকার ধারণ করে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিভিন্ন স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। এ সময় ‘পাপিয়া যাও যাও, শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে দাও’, ‘শিক্ষার নামে প্রহসন চলবে না’সহ বিভিন্ন স্লোগানে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক পাপিয়া পারভিন ও সহকারী প্রধান শিক্ষক শুভঙ্কর দাসের মাধ্যমে তারা বিভিন্ন সময়ে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। পাশাপাশি প্রধান শিক্ষক নিয়মিত ক্লাস না নেওয়ায় সামনে এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কাছেও লিখিত অভিযোগ দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

এদিকে বিদ্যালয়ের একাধিক সহকারী শিক্ষকও প্রধান শিক্ষক পাপিয়া পারভিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন। তাদের দাবি, ২০২৪ সাল থেকে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভাতা ও আর্থিক সুবিধা থেকে শিক্ষকরা বঞ্চিত হয়ে আসছেন।

শিক্ষকদের আরও অভিযোগ, বিদ্যালয়ে আয়-ব্যয় কমিটি গঠন না করে এবং প্যাটার্নভুক্ত অফিস সহকারী থাকা সত্ত্বেও বাইরের লোকের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বেতন-ভাতা আদায় করা হচ্ছে। এছাড়া ভুয়া ভাউচার তৈরির মাধ্যমে বিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও করেছেন তারা।

অন্যদিকে, শিক্ষার্থীরা গত এক সপ্তাহ ধরে ক্লাস বর্জন করে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। বিক্ষোভের একপর্যায়ে প্রধান শিক্ষকের কক্ষেও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। প্রধান শিক্ষককে অপসারণ না করা পর্যন্ত ক্লাসে ফিরবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

তবে শিক্ষার্থীদের এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক পাপিয়া পারভিন ও সহকারী প্রধান শিক্ষক শুভঙ্কর দাসের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার তারা বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না। তাদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও শিক্ষকদের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা ও অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।

সর্বাধিক পঠিত

লীরা গ্রুপ ও সম্রাট প্যাকেজিংয়ের এমডির বিরুদ্ধে রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ দুদকে

সারাফুল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক-সহকারী প্রধান শিক্ষক অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ

আপডেট: ০৩:৫০:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

যশোর সদর উপজেলার সারাফুল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পাপিয়া পারভিন ও সহকারী প্রধান শিক্ষক শুভঙ্কর দাসকে অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। গত এক সপ্তাহ ধরে চলা শিক্ষার্থীদের আন্দোলন বৃহস্পতিবার আরও ব্যাপক আকার ধারণ করে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিভিন্ন স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড নিয়ে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। এ সময় ‘পাপিয়া যাও যাও, শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে দাও’, ‘শিক্ষার নামে প্রহসন চলবে না’সহ বিভিন্ন স্লোগানে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক পাপিয়া পারভিন ও সহকারী প্রধান শিক্ষক শুভঙ্কর দাসের মাধ্যমে তারা বিভিন্ন সময়ে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে। পাশাপাশি প্রধান শিক্ষক নিয়মিত ক্লাস না নেওয়ায় সামনে এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কাছেও লিখিত অভিযোগ দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

এদিকে বিদ্যালয়ের একাধিক সহকারী শিক্ষকও প্রধান শিক্ষক পাপিয়া পারভিনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ করেছেন। তাদের দাবি, ২০২৪ সাল থেকে বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভাতা ও আর্থিক সুবিধা থেকে শিক্ষকরা বঞ্চিত হয়ে আসছেন।

শিক্ষকদের আরও অভিযোগ, বিদ্যালয়ে আয়-ব্যয় কমিটি গঠন না করে এবং প্যাটার্নভুক্ত অফিস সহকারী থাকা সত্ত্বেও বাইরের লোকের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বেতন-ভাতা আদায় করা হচ্ছে। এছাড়া ভুয়া ভাউচার তৈরির মাধ্যমে বিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও করেছেন তারা।

অন্যদিকে, শিক্ষার্থীরা গত এক সপ্তাহ ধরে ক্লাস বর্জন করে আন্দোলন চালিয়ে আসছে। বিক্ষোভের একপর্যায়ে প্রধান শিক্ষকের কক্ষেও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। প্রধান শিক্ষককে অপসারণ না করা পর্যন্ত ক্লাসে ফিরবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

তবে শিক্ষার্থীদের এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক পাপিয়া পারভিন ও সহকারী প্রধান শিক্ষক শুভঙ্কর দাসের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার তারা বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না। তাদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও শিক্ষকদের অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা ও অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।