নরসিংদী শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের (EED) সহকারী প্রকৌশলী মো. রাসেল আহমেদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, অবৈধভাবে নোটিশ অব অ্যাওয়ার্ড (NOA) প্রদান এবং জুন ক্লোজিংকে কেন্দ্র করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে প্রধান প্রকৌশলীর কাছে লিখিত আবেদন করা হয়েছে।
গত ৬ জুলাই ২০২৬ তারিখে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর বরাবর দাখিল করা আবেদনে অভিযোগকারী দাবি করেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা টেন্ডার মূল্যায়ন, কার্যাদেশ প্রদান এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের বিভিন্ন ধাপে গুরুতর অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও সরকারি অর্থের অপচয়ের সঙ্গে জড়িত।
অভিযোগে বলা হয়েছে, M/S C M Construction নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দাখিল করা কাজের অভিজ্ঞতা সনদ (Experience Certificate) যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি ই-জিপি (e-GP) সিস্টেমে উল্লেখিত কাজের সময়সীমা ও সমাপ্তির তারিখে অসঙ্গতি থাকা সত্ত্বেও তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া যথাযথ ক্রস-ভেরিফিকেশন ছাড়াই সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নোটিশ অব অ্যাওয়ার্ড (NOA) প্রদান করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়। অভিযোগকারীর দাবি, টেন্ডার মূল্যায়নের ক্ষেত্রে প্রচলিত নীতিমালা অনুসরণ করা হয়নি, যার ফলে পুরো প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
লিখিত আবেদনে আরও বলা হয়, মাঠপর্যায়ে কাজের গুণগত মান ও প্রকৃত পরিমাপ (Actual Measurement) যাচাই না করেই জুন ক্লোজিংকে কেন্দ্র করে বিল উত্তোলনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এতে সরকারি অর্থের অপচয় ও সম্ভাব্য আত্মসাতের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগকারী বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের জন্য উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে অভিযোগে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সরকারি অর্থের সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে সহকারী প্রকৌশলী মো. রাসেল আহমেদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি





















