০১:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

বন্যা ও পাহাড়ধসে প্রাণহানি বেড়ে ৫৪, পানিবন্দি ৬ লাখের বেশি মানুষ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:১১:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • ৫১৪

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টি, বন্যা ও পাহাড়ধসের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন অন্তত ৩৯ জন। বন্যার কারণে দেশের সাত জেলায় এক লাখ ৫৫ হাজার ৩১১টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৬ লাখ ৯ হাজার ৪১১ জন মানুষ।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার ৫৯টি উপজেলা বন্যাকবলিত হয়েছে। এছাড়া এসব এলাকার ৩৩৪টি ইউনিয়ন এবং ১২টি পৌরসভা বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জেলাভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কক্সবাজারে, যেখানে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ছয়জন, রাঙ্গামাটিতে তিনজন এবং মৌলভীবাজারে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

আহতদের মধ্যে কক্সবাজারে ২৪ জন, চট্টগ্রামে ১২ জন, বান্দরবানে দুইজন এবং খাগড়াছড়িতে একজন রয়েছেন।

বন্যাদুর্গত মানুষের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য সরকারিভাবে এক হাজার ৪২টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ইতোমধ্যে ৩৮ হাজার ৪২২ জন আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

এদিকে, বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যসেবা স্বাভাবিক রাখতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করেছে সরকার। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি উপজেলায় মেডিকেল টিম মোতায়েন করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, বন্যা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এজন্য ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ওষুধ, খাবার স্যালাইন, অ্যান্টিভেনম এবং অন্যান্য চিকিৎসাসামগ্রী দ্রুত মাঠপর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

 

সর্বাধিক পঠিত

চাঁদপুরে সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বন্যা ও পাহাড়ধসে প্রাণহানি বেড়ে ৫৪, পানিবন্দি ৬ লাখের বেশি মানুষ

আপডেট: ১০:১১:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টি, বন্যা ও পাহাড়ধসের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন অন্তত ৩৯ জন। বন্যার কারণে দেশের সাত জেলায় এক লাখ ৫৫ হাজার ৩১১টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৬ লাখ ৯ হাজার ৪১১ জন মানুষ।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার ৫৯টি উপজেলা বন্যাকবলিত হয়েছে। এছাড়া এসব এলাকার ৩৩৪টি ইউনিয়ন এবং ১২টি পৌরসভা বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জেলাভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি হয়েছে কক্সবাজারে, যেখানে ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রামে ১৩ জন, বান্দরবানে ছয়জন, রাঙ্গামাটিতে তিনজন এবং মৌলভীবাজারে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

আহতদের মধ্যে কক্সবাজারে ২৪ জন, চট্টগ্রামে ১২ জন, বান্দরবানে দুইজন এবং খাগড়াছড়িতে একজন রয়েছেন।

বন্যাদুর্গত মানুষের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য সরকারিভাবে এক হাজার ৪২টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ইতোমধ্যে ৩৮ হাজার ৪২২ জন আশ্রয় নিয়েছেন বলে জানিয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়।

এদিকে, বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যসেবা স্বাভাবিক রাখতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করেছে সরকার। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিটি উপজেলায় মেডিকেল টিম মোতায়েন করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, বন্যা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এজন্য ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় ওষুধ, খাবার স্যালাইন, অ্যান্টিভেনম এবং অন্যান্য চিকিৎসাসামগ্রী দ্রুত মাঠপর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।