০১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেই ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব: প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:৪৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • ৫০৯

কক্সবাজারে সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলে সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হবে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন। পাশাপাশি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্য খামারি ও গবাদি পশুর মালিকদের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

রোববার (১৩ জুলাই) রাতে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, কক্সবাজার জেলার ১০টি উপজেলার মধ্যে পাঁচটি উপজেলা বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যা শুরু হওয়ার প্রথম দিন থেকেই দুর্গত মানুষের উদ্ধার, আশ্রয় ও ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে এলে পুনর্বাসন কার্যক্রম দ্রুত ও সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুরু থেকেই কক্সবাজারসহ বন্যাকবলিত বিভিন্ন জেলার সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও কার্যকরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর বিভাগীয় কমিশনারের তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করে বন্যা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়েছে। এরপর ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পরিদর্শনের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, গত সাত থেকে আট দিনে কক্সবাজারে ৮০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। অথচ সাধারণত পুরো জুলাই মাসে গড়ে প্রায় ৯০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়। অল্প সময়ে এই অস্বাভাবিক ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল এবং বঙ্গোপসাগরের বিরূপ আবহাওয়ার সম্মিলিত প্রভাবে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

সভায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নানের সভাপতিত্বে কক্সবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল, জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান, ১০টি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ভার্চুয়ালি) এবং বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

সর্বাধিক পঠিত

চাঁদপুরে সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেই ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব: প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

আপডেট: ০৯:৪৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

কক্সবাজারে সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলে সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার হবে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন। পাশাপাশি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্য খামারি ও গবাদি পশুর মালিকদের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

রোববার (১৩ জুলাই) রাতে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, কক্সবাজার জেলার ১০টি উপজেলার মধ্যে পাঁচটি উপজেলা বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যা শুরু হওয়ার প্রথম দিন থেকেই দুর্গত মানুষের উদ্ধার, আশ্রয় ও ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে এলে পুনর্বাসন কার্যক্রম দ্রুত ও সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শুরু থেকেই কক্সবাজারসহ বন্যাকবলিত বিভিন্ন জেলার সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও বিস্তৃত ও কার্যকরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে তিনি প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি হিসেবে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালন করছেন।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর বিভাগীয় কমিশনারের তত্ত্বাবধানে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে বৈঠক করে বন্যা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়েছে। এরপর ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা পরিদর্শনের মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র মূল্যায়ন করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, গত সাত থেকে আট দিনে কক্সবাজারে ৮০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। অথচ সাধারণত পুরো জুলাই মাসে গড়ে প্রায় ৯০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়। অল্প সময়ে এই অস্বাভাবিক ভারী বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল এবং বঙ্গোপসাগরের বিরূপ আবহাওয়ার সম্মিলিত প্রভাবে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

সভায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নানের সভাপতিত্বে কক্সবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল, জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধান, ১০টি উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ভার্চুয়ালি) এবং বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।