০১:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

ধর্মান্তরিত হরিদাস থেকে ‘তাওহীদ ইসলাম’: প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার পরিচয়ে প্রতারণার জাল!

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:১৮:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • ৫১২

ধর্মান্তরিত হয়ে নাম পরিবর্তন, বিলাসবহুল জীবনযাপন এবং প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের প্রটোকল অফিসার পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস ওরফে তাওহীদ ইসলামের বিরুদ্ধে।

জানা যায়, তিনি একটি বাসায় ভাড়া থাকার সময় ২০১৯ সালে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং স্থানীয় এক সবজি বিক্রেতার মেয়েকে বিয়ে করেন। এরপর নিজের নাম পরিবর্তন করে হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস থেকে তাওহীদ ইসলাম নাম ধারণ করেন।

বিয়ের পর শ্বশুরের পরিচয় ব্যবহার করে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া এলাকায় কিছু জমি কেনেন। স্থানীয়দের কাছে নিজেকে একজন বিত্তশালী ও প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত করে তোলেন। এলাকাজুড়ে তিনি প্রচার করতে থাকেন যে, তিনি প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের প্রটোকল অফিসার এবং উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, দামি গাড়ি, ব্যয়বহুল পোশাক ও আড়ম্বরপূর্ণ জীবনযাপনের মাধ্যমে তিনি স্থানীয় রাজনীতিবিদ, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর নিকটাত্মীয়দের সহায়তায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প অনুমোদন বা বাস্তবায়নে প্রভাব খাটাতে পারবেন বলেও বিভিন্ন মহলে প্রচার চালাতেন।

এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি এলাকায় নিজের একটি শক্তিশালী প্রভাব তৈরি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

চাঁদপুরে সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ধর্মান্তরিত হরিদাস থেকে ‘তাওহীদ ইসলাম’: প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার পরিচয়ে প্রতারণার জাল!

আপডেট: ০৯:১৮:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

ধর্মান্তরিত হয়ে নাম পরিবর্তন, বিলাসবহুল জীবনযাপন এবং প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের প্রটোকল অফিসার পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস ওরফে তাওহীদ ইসলামের বিরুদ্ধে।

জানা যায়, তিনি একটি বাসায় ভাড়া থাকার সময় ২০১৯ সালে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং স্থানীয় এক সবজি বিক্রেতার মেয়েকে বিয়ে করেন। এরপর নিজের নাম পরিবর্তন করে হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস থেকে তাওহীদ ইসলাম নাম ধারণ করেন।

বিয়ের পর শ্বশুরের পরিচয় ব্যবহার করে ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া এলাকায় কিছু জমি কেনেন। স্থানীয়দের কাছে নিজেকে একজন বিত্তশালী ও প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত করে তোলেন। এলাকাজুড়ে তিনি প্রচার করতে থাকেন যে, তিনি প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের প্রটোকল অফিসার এবং উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, দামি গাড়ি, ব্যয়বহুল পোশাক ও আড়ম্বরপূর্ণ জীবনযাপনের মাধ্যমে তিনি স্থানীয় রাজনীতিবিদ, গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর নিকটাত্মীয়দের সহায়তায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প অনুমোদন বা বাস্তবায়নে প্রভাব খাটাতে পারবেন বলেও বিভিন্ন মহলে প্রচার চালাতেন।

এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি এলাকায় নিজের একটি শক্তিশালী প্রভাব তৈরি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।