বিশ্বকাপের মঞ্চে দীর্ঘ চার দশক ধরে পেনাল্টি থেকে শতভাগ সফলতার রেকর্ড ধরে রেখেছিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। তবে সেই গৌরবময় ধারায় এবার ছেদ পড়ল নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচে।
ম্যাচের ১৪তম মিনিটেই এগিয়ে যাওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পায় ব্রাজিল। পেনাল্টি থেকে গোল করার দায়িত্ব নেন মিডফিল্ডার ব্রুনো গিয়ামায়েস। কিন্তু তার নেওয়া শট দুর্দান্ত দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক ওরইয়ান নাইল্যান্ড। ফলে হতাশায় ডুবে যায় ব্রাজিল শিবির।
এই পেনাল্টি মিসের মধ্য দিয়ে একটি বিরল রেকর্ডের অবসান ঘটে। টাইব্রেকার বা পেনাল্টি শুটআউট বাদ দিলে, বিশ্বকাপের মূল ম্যাচের নির্ধারিত বা অতিরিক্ত সময়ে ব্রাজিলের কোনো খেলোয়াড়ের পেনাল্টি মিস করার ঘটনা এটিই প্রথম, প্রায় ৪০ বছর পর।
এর আগে সর্বশেষ ১৯৮৬ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার জিকো। এরপর থেকে বিশ্বকাপের মূল ম্যাচে স্পট-কিক থেকে গোল করার ক্ষেত্রে নিখুঁত রেকর্ড ধরে রেখেছিল সেলেসাওরা।
নরওয়ের বিপক্ষে ব্রুনো গিয়ামায়েসের ব্যর্থতায় সেই দীর্ঘদিনের রেকর্ড ভেঙে যায়। একই সঙ্গে নতুন করে সামনে চলে আসে জিকোর সেই তেতো স্মৃতি, যা ব্রাজিল সমর্থকদের জন্য আজও বেদনাদায়ক এক অধ্যায়।
বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে এমন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে পেনাল্টি মিস ব্রাজিলের জন্য শুধু একটি গোল হাতছাড়া নয়, বরং ইতিহাসের একটি গর্বিত অধ্যায়েরও সমাপ্তি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।




















