০৮:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম শেখকে মারধরের অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা, দুই পুলিশ সদস্য ক্লোজড

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:০৫:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
  • ৫১০

চট্টগ্রামের খুলশী থানার এক অভিযানে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম শেখকে মারধর ও অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় খুলশী থানার এসআই শফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল রাসেল এবং পুলিশ সোর্স সোহেলকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, ছুটিতে ঢাকায় অবস্থানরত খুলশী থানার উপপরিদর্শক মনিরুল ইসলাম একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় সোনার চোরাচালান আসার তথ্য এসআই শফিকুল ইসলামকে দেন। মনিরুল দাবি করেন, তিনি একটি গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে এ তথ্য পেয়েছিলেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতে লালখান বাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়।

অভিযোগ রয়েছে, অভিযানের সময় ক্রিকেটার নাঈম শেখকে আটক করে মারধর করা হয় এবং থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে রাতে খুলশী থানায় ছুটে যান তাঁর বাবা মাহবুবুল আলম। তিনি অভিযোগ করেন, বিমানবন্দর থেকে নামার পর ছেলের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছিল এবং পরে নাঈম ফোনে পুলিশের মারধরের বিষয়টি জানান।

মাহবুবুল আলম আরও বলেন, থানায় গিয়ে তিনি ডিউটি অফিসারের কাছ থেকেও অসৌজন্যমূলক আচরণের শিকার হয়েছেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচার দাবি করেন।

নাঈমকে থানায় আনার খবর ছড়িয়ে পড়লে গভীর রাতে থানায় জড়ো হন তাঁর স্বজন ও ক্রিকেটপ্রেমীরা। তারা অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানান। পরে শনিবার সকালে নাঈমের ভাই সাব্বির আলম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, অভিযানের বিষয়টি এসআই শফিকুল ইসলাম তাঁকে আগে অবহিত করেননি। থানায় আনার পরই তিনি জানতে পারেন আটক ব্যক্তি জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম শেখ। পরে দুঃখ প্রকাশ করে তাঁকে সম্মানের সঙ্গে চলে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়।

ওসি আরও জানান, ঘটনার পরপরই এসআই শফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল রাসেল এবং অভিযানে অংশ নেওয়া আরেক কনস্টেবলকে ক্লোজড করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বাধিক পঠিত

চৌগাছায় কলেজছাত্রীর বিরুদ্ধে প্রতারণামূলক বিয়ের অভিযোগ,

চট্টগ্রামে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম শেখকে মারধরের অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা, দুই পুলিশ সদস্য ক্লোজড

আপডেট: ০৬:০৫:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

চট্টগ্রামের খুলশী থানার এক অভিযানে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম শেখকে মারধর ও অপহরণের চেষ্টার অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় খুলশী থানার এসআই শফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল রাসেল এবং পুলিশ সোর্স সোহেলকে আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্র জানায়, ছুটিতে ঢাকায় অবস্থানরত খুলশী থানার উপপরিদর্শক মনিরুল ইসলাম একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় সোনার চোরাচালান আসার তথ্য এসআই শফিকুল ইসলামকে দেন। মনিরুল দাবি করেন, তিনি একটি গোয়েন্দা সংস্থার কাছ থেকে এ তথ্য পেয়েছিলেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতে লালখান বাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়।

অভিযোগ রয়েছে, অভিযানের সময় ক্রিকেটার নাঈম শেখকে আটক করে মারধর করা হয় এবং থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। খবর পেয়ে রাতে খুলশী থানায় ছুটে যান তাঁর বাবা মাহবুবুল আলম। তিনি অভিযোগ করেন, বিমানবন্দর থেকে নামার পর ছেলের সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছিল এবং পরে নাঈম ফোনে পুলিশের মারধরের বিষয়টি জানান।

মাহবুবুল আলম আরও বলেন, থানায় গিয়ে তিনি ডিউটি অফিসারের কাছ থেকেও অসৌজন্যমূলক আচরণের শিকার হয়েছেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচার দাবি করেন।

নাঈমকে থানায় আনার খবর ছড়িয়ে পড়লে গভীর রাতে থানায় জড়ো হন তাঁর স্বজন ও ক্রিকেটপ্রেমীরা। তারা অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবি জানান। পরে শনিবার সকালে নাঈমের ভাই সাব্বির আলম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, অভিযানের বিষয়টি এসআই শফিকুল ইসলাম তাঁকে আগে অবহিত করেননি। থানায় আনার পরই তিনি জানতে পারেন আটক ব্যক্তি জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম শেখ। পরে দুঃখ প্রকাশ করে তাঁকে সম্মানের সঙ্গে চলে যাওয়ার অনুরোধ করা হয়।

ওসি আরও জানান, ঘটনার পরপরই এসআই শফিকুল ইসলাম, কনস্টেবল রাসেল এবং অভিযানে অংশ নেওয়া আরেক কনস্টেবলকে ক্লোজড করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলছে এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।