০৯:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬

কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের, হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুঁশিয়ারি

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
  • ৫১৩

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, সাম্প্রতিক ঘটনার তাৎক্ষণিক জবাব হিসেবেই এই হামলা পরিচালনা করা হয়েছে।

আইআরজিসির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, ভবিষ্যতে ইরানের বিরুদ্ধে এ ধরনের আগ্রাসনমূলক কর্মকাণ্ড পুনরায় ঘটলে তাদের প্রতিক্রিয়া আরও কঠোর হবে। প্রয়োজন হলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়ার মতো পদক্ষেপও নেওয়া হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

ইরান দাবি করেছে, এমন পরিস্থিতির উদ্ভব হলে এর সম্পূর্ণ দায়ভার যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল-সমর্থিত জোটকেই বহন করতে হবে। তবে হামলার বিষয়ে কুয়েত, বাহরাইন কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পাল্টাপাল্টি হুমকি ও সামরিক তৎপরতা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

রামিসা হত্যা মামলার রায় আজ, আদালতে আনা হয়েছে আসামি সোহেল-স্বপ্নাকে

কুয়েত ও বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের, হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুঁশিয়ারি

আপডেট: ০৯:০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে ইরান। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, সাম্প্রতিক ঘটনার তাৎক্ষণিক জবাব হিসেবেই এই হামলা পরিচালনা করা হয়েছে।

আইআরজিসির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, ভবিষ্যতে ইরানের বিরুদ্ধে এ ধরনের আগ্রাসনমূলক কর্মকাণ্ড পুনরায় ঘটলে তাদের প্রতিক্রিয়া আরও কঠোর হবে। প্রয়োজন হলে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেওয়ার মতো পদক্ষেপও নেওয়া হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।

ইরান দাবি করেছে, এমন পরিস্থিতির উদ্ভব হলে এর সম্পূর্ণ দায়ভার যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল-সমর্থিত জোটকেই বহন করতে হবে। তবে হামলার বিষয়ে কুয়েত, বাহরাইন কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পাল্টাপাল্টি হুমকি ও সামরিক তৎপরতা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।