যশোর জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল ও এলআইসি’র ধারাবাহিক অভিযানে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন এবং প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া নগদ অর্থ প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বুধবার (২০ মে) বিকেল সাড়ে ৩টায় যশোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কনফারেন্স হল রুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ ভুক্তভোগীদের হাতে তুলে দেন যশোর জেলার পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার বলেন, মোবাইল ফোন ও বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের ক্ষেত্রে সবাইকে আরও সচেতন ও সতর্ক থাকতে হবে। প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে নাগরিক সচেতনতার বিকল্প নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এপ্রিল ২০২৬ মাসে যশোর জেলার বিভিন্ন থানায় সাধারণ ডায়েরিভুক্ত হারানো ৬০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে সেগুলো প্রকৃত মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ভুলবশত অন্য নম্বরে পাঠানো কিংবা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ হওয়া ১২ জন ভুক্তভোগীর মোট ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা উদ্ধার করে ফেরত দেওয়া হয়।
একই সময়ে সাইবার ক্রাইম ইউনিট ৮টি ইমো আইডি ও ২২টি হোয়াটসঅ্যাপ আইডি পুনরুদ্ধারে সফল হয়েছে। পাশাপাশি জেলার বিভিন্ন থানার নিখোঁজ ব্যক্তি ও ভিকটিম উদ্ধারে সহায়তা করে ৮ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
এছাড়াও বিভিন্ন ক্লুলেস মামলার রহস্য উদঘাটন এবং আসামি শনাক্ত ও গ্রেফতারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল ও এলআইসি।
অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মিরাজুল ইসলাম সহ সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল ও এলআইসি যশোরের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।




















