আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের পশুর বাজারে এবার স্বস্তির আভাস পাওয়া যাচ্ছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ বছর কোরবানির পশুর কোনো সংকট নেই। বরং চাহিদার তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পশু উদ্বৃত্ত থাকায় বাজার স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, এ বছর দেশে কোরবানির পশুর সম্ভাব্য চাহিদা প্রায় **১ কোটি ১০ লাখ**। এর বিপরীতে খামারি ও কৃষকদের কাছে প্রস্তুত রয়েছে **১ কোটি ২৩ লাখেরও বেশি** পশু। অর্থাৎ চাহিদার চেয়ে প্রায় **২২ লাখ পশু** অতিরিক্ত রয়েছে। এই উদ্বৃত্ত সরবরাহের কারণে বাজারে কৃত্রিম সংকটের কোনো সুযোগ থাকবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
দেশজুড়ে প্রায় ৩,৬০০টি*পশুর হাট বসার প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। রাজধানী ঢাকায় দুই সিটি কর্পোরেশনের অধীনে মোট ২৭টি অনুমোদিত হাট বসবে:
ডিএনসিসি (উত্তর): ১৬টি হাট*ডিএসসিসি (দক্ষিণ):১১টি হাট
কর্তৃপক্ষ কঠোরভাবে জানিয়েছে, অনুমোদিত স্থানের বাইরে কোনো অবৈধ হাট বসতে দেওয়া হবে না।
অনলাইন প্ল্যাটফর্মে পশু কেনাবেচাকে উৎসাহিত করতে সরকার বিশেষ ছাড় ঘোষণা করেছে। **অনলাইন থেকে পশু কিনলে কোনো ‘হাসিল’ বা ট্যাক্স দিতে হবে না।** এই সুবিধা গতানুগতিক হাটের ভিড় এড়াতে ক্রেতাদের আরও আগ্রহী করে তুলবে।
খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় এবং ক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কিছু বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে:
পশুবাহী ট্রাকে চাঁদাবাজি রোধে মহাসড়কে ২৪ ঘণ্টা বিশেষ পুলিশি টহল।
হাটগুলোতে জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিন ও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
আসন্ন কোরবানির ঈদে পশুর দাম ও সরবরাহ নিয়ে চিন্তিত? আপনার জন্য রয়েছে স্বস্তির খবর!
এ বছর ১ কোটি ২৩ লাখ পশু প্রস্তুত আছে, যা চাহিদার চেয়ে ২২ লাখ বেশি। ফলে দাম নাগালের মধ্যে থাকার সম্ভাবনা প্রবল।
উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ১৬টি এবং দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ১১টি হাটে কেনাবেচা চলবে।
হাট যাওয়ার ঝামেলা এড়াতে অনলাইন থেকে পশু কিনলে কোনো বাড়তি ট্যাক্স (হাসিল) দিতে হবে না!
জাল টাকা রোধ ও চাঁদাবাজি বন্ধে প্রশাসনের কড়া নজরদারি থাকছে।
দেশি খামারিদের পাশে থাকুন, সুস্থ ও সুন্দরভাবে ঈদ উদযাপন করুন।





















