রবিবার (২৬ এপ্রিল) দেশের বিভিন্ন জেলায় বজ্রপাতে অন্তত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে গাইবান্ধায় পাঁচজন, ঠাকুরগাঁও, সিরাজগঞ্জ ও জামালপুরে দুজন করে এবং পঞ্চগড়, বগুড়া ও নাটোরে একজন করে রয়েছেন। গণমাধ্যম ও স্থানীয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী এসব ঘটনা ঘটে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, টানা এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা তাপপ্রবাহের পর রবিবার ঢাকাসহ রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়। এর সঙ্গে বজ্রপাতও দেখা যায়। চলতি মাসের বাকি সময়েও দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্নভাবে বৃষ্টি হতে পারে, ফলে তাপপ্রবাহ কিছুটা কমতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
গাইবান্ধায় বিকেলে বজ্রপাতে শিশুসহ পাঁচজন নিহত হন। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা গ্রামে তিনজন, ফুলছড়ি উপজেলার দেলুয়াবাড়ি গ্রামে একজন এবং সাঘাটা উপজেলার হেলেঞ্চা গ্রামে একজন মারা যান। এ ঘটনায় একজন আহত হন এবং একটি গরুও মারা যায়।
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় পৃথক ঘটনায় দুইজনের মৃত্যু হয়। তারা বৃষ্টির সময় মাঠে কাজ করছিলেন। একইভাবে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ ও তাড়াশ উপজেলায় বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে।
জামালপুরে বজ্রপাতে দুইজন মারা গেছেন এবং চারজন আহত হয়েছেন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া পাঁচটি গবাদিপশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় এক চা-শ্রমিক বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় আরও দুইজন আহত হন। নাটোরের সিংড়া উপজেলায় এক শ্রমিক এবং বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় এক কৃষক বজ্রপাতে প্রাণ হারান।
পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, এসব ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বজ্রপাত থেকে বাঁচতে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।




















