০৮:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

২০২৭ সালের মধ্যে পুরো রাখাইন দখলের ঘোষণা (আরাকান আর্মি এর

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৯:০৩:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫১৯

মিয়ানমারের অন্যতম শক্তিশালী জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী (আরাকান আর্মি) ঘোষণা দিয়েছে যে তারা আগামী ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ পুরো রাখাইন রাজ্য) নিজেদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসবে।

গত শুক্রবার গোষ্ঠীটির ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন এর প্রধান তিনি বলেন, পূর্ণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে তারা তাদের লক্ষ্য অর্জনের পথে এগিয়ে যাবে এবং মিয়ানমারের জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে অন্যান্য মিত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে যৌথভাবে লড়াই চালিয়ে যাবে।

বর্তমানে রাখাইন রাজ্যের ১৭টি উপজেলার মধ্যে ১৪টি এবং রাজ্যের পালেতওয়া) আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে এখনও রাজ্যের রাজধানী শহরগুলো মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর দখলে আছে।

গত বছরের ১৩ নভেম্বর থেকে রাখাইন রাজ্যে জোরালো সামরিক অভিযান শুরু করে আরাকান আর্মি। শুধু সামরিক সাফল্যই নয়, তারা ইতোমধ্যে নিজেদের নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তুলেছে। সেখানে আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে, যা কার্যত একটি বিকল্প শাসনব্যবস্থা হিসেবে কাজ করছে।

তবে জান্তা বাহিনীর বিমান ও নৌ হামলার কারণে এসব অঞ্চলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে এবং অনেকেই বাস্তুচ্যুত হচ্ছে।

আরাকান আর্মির এই সাফল্যে অভিনন্দন জানিয়েছে (ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স)-এর অন্যান্য সদস্য(জাতীয় ঐক্য সরকার) এবং দেশটির ৪০টিরও বেশি সশস্ত্র গোষ্ঠী। তাদের মতে, এই অর্জন মিয়ানমারের অন্যান্য জাতিগত গোষ্ঠীর জন্য অনুপ্রেরণামূলক উদাহরণ।

২০০৯ সালের ১০ এপ্রিল মাত্র ২৬ জন সদস্য এবং একটি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে (কাচিন রাজ্যের লাইজা) থেকে যাত্রা শুরু করেছিল এই গোষ্ঠীটি। বর্তমানে এটি মিয়ানমারের জান্তা সরকারের জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।

সূত্র: মিয়ানমার নাউ**

সর্বাধিক পঠিত

বেনাপোল চেকপোস্টে যাত্রী পারাপারে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি জোরালো ।

২০২৭ সালের মধ্যে পুরো রাখাইন দখলের ঘোষণা (আরাকান আর্মি এর

আপডেট: ০৯:০৩:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

মিয়ানমারের অন্যতম শক্তিশালী জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী (আরাকান আর্মি) ঘোষণা দিয়েছে যে তারা আগামী ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ পুরো রাখাইন রাজ্য) নিজেদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসবে।

গত শুক্রবার গোষ্ঠীটির ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেন এর প্রধান তিনি বলেন, পূর্ণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে তারা তাদের লক্ষ্য অর্জনের পথে এগিয়ে যাবে এবং মিয়ানমারের জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে অন্যান্য মিত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে যৌথভাবে লড়াই চালিয়ে যাবে।

বর্তমানে রাখাইন রাজ্যের ১৭টি উপজেলার মধ্যে ১৪টি এবং রাজ্যের পালেতওয়া) আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে এখনও রাজ্যের রাজধানী শহরগুলো মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর দখলে আছে।

গত বছরের ১৩ নভেম্বর থেকে রাখাইন রাজ্যে জোরালো সামরিক অভিযান শুরু করে আরাকান আর্মি। শুধু সামরিক সাফল্যই নয়, তারা ইতোমধ্যে নিজেদের নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তুলেছে। সেখানে আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে, যা কার্যত একটি বিকল্প শাসনব্যবস্থা হিসেবে কাজ করছে।

তবে জান্তা বাহিনীর বিমান ও নৌ হামলার কারণে এসব অঞ্চলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে এবং অনেকেই বাস্তুচ্যুত হচ্ছে।

আরাকান আর্মির এই সাফল্যে অভিনন্দন জানিয়েছে (ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স)-এর অন্যান্য সদস্য(জাতীয় ঐক্য সরকার) এবং দেশটির ৪০টিরও বেশি সশস্ত্র গোষ্ঠী। তাদের মতে, এই অর্জন মিয়ানমারের অন্যান্য জাতিগত গোষ্ঠীর জন্য অনুপ্রেরণামূলক উদাহরণ।

২০০৯ সালের ১০ এপ্রিল মাত্র ২৬ জন সদস্য এবং একটি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে (কাচিন রাজ্যের লাইজা) থেকে যাত্রা শুরু করেছিল এই গোষ্ঠীটি। বর্তমানে এটি মিয়ানমারের জান্তা সরকারের জন্য অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে।

সূত্র: মিয়ানমার নাউ**