যশোর সদর উপজেলার লেবুতলা ইউনিয়নের কোদালিয়া গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এক নারী ও তার মেয়েকে পিটিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে। আহতরা বর্তমানে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পারভিনা আক্তার বাদী হয়ে যশোর কোতোয়ালি থানায় প্রতিবেশী বিল্লাল হোসেন, তার ছেলে আবু সুফিয়ান শান্ত এবং শামিমা বেগমসহ তিনজনের নাম উল্লেখ করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পারভিনা আক্তারের স্বামী শহিদুল ইসলাম চাকরির কারণে অধিকাংশ সময় যশোরের বাইরে অবস্থান করেন। এই সুযোগে অভিযুক্তরা তাদের বসতভিটার সীমানা লঙ্ঘন করে ঘর নির্মাণের সময় সানশেড বাড়িয়ে জমি দখলের চেষ্টা করেন। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার আপত্তি জানানো হলেও তা আমলে নেওয়া হয়নি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১০ এপ্রিল সকালে জমিতে নতুন ঘর নির্মাণের কাজ শুরু হলে পারভিনা আক্তার বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্তরা তাকে গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পরে একই দিন বিকেলে পারভিনা বাড়ি ফেরার পথে এবং তার বসতবাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে বিল্লাল ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র, লোহার রড ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালায়।
এ সময় পারভিনা আক্তারের মাথা ও কোমরে আঘাত করা হয় এবং লোহার রডের আঘাতে তার পিঠের মেরুদণ্ডে গুরুতর জখম হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। তার বড় মেয়ে সাহিদা আক্তার তানিয়া মাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তাকেও মারধর করে রক্তাক্ত করা হয়। অভিযোগে তানিয়ার শ্লীলতাহানির বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে।
ঘটনার পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
ভুক্তভোগী পরিবার অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি তারা নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।





















