১১:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

খুলনার খালিশপুরে বিএনপি নেতা সোনা মিয়া সরদারকে কুপিয়ে হত্যা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৮:২৭:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬০৯

খুলনা মহানগরীর খালিশপুর থানার নয়াবাটি এলাকায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে সোনা মিয়া সরদার (৩৮) নামের এক বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১১ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে এ নৃশংস ঘটনাটি ঘটে।

নিহত সোনা মিয়া সরদার খালিশপুর থানার ১০ নম্বর ওয়ার্ড তাঁতীদলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় মুদি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের দিকে তিনি তার দোকানে অবস্থান করছিলেন। এ সময় দুটি মোটরসাইকেলে করে চারজন দুর্বৃত্ত সেখানে এসে অতর্কিতে হামলা চালায়। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পেটে আঘাত করে গুরুতর জখম করে।
হামলার পর জীবন বাঁচাতে সোনা মিয়া দোকান থেকে বের হয়ে দৌড় দেন। তবে কিছু দূর যাওয়ার পর তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা দ্রুত মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

পরে স্থানীয়রা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার সুদর্শন কুমার রায় জানান, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।
এ ঘটনায় পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

বড় আঁচড়ায় পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ

খুলনার খালিশপুরে বিএনপি নেতা সোনা মিয়া সরদারকে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট: ০৮:২৭:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

খুলনা মহানগরীর খালিশপুর থানার নয়াবাটি এলাকায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ঢুকে সোনা মিয়া সরদার (৩৮) নামের এক বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১১ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে এ নৃশংস ঘটনাটি ঘটে।

নিহত সোনা মিয়া সরদার খালিশপুর থানার ১০ নম্বর ওয়ার্ড তাঁতীদলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় মুদি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের দিকে তিনি তার দোকানে অবস্থান করছিলেন। এ সময় দুটি মোটরসাইকেলে করে চারজন দুর্বৃত্ত সেখানে এসে অতর্কিতে হামলা চালায়। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার পেটে আঘাত করে গুরুতর জখম করে।
হামলার পর জীবন বাঁচাতে সোনা মিয়া দোকান থেকে বের হয়ে দৌড় দেন। তবে কিছু দূর যাওয়ার পর তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা দ্রুত মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

পরে স্থানীয়রা তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার সুদর্শন কুমার রায় জানান, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করছে।
এ ঘটনায় পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।