০২:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

কেশবপুরে চেক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তারের পর অসুস্থ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:১৩:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫১১

যশোরের কেশবপুরে চেকের মামলায় দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের পর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

গ্রেপ্তার হওয়া আসামির নাম শওকাত হোসেন বাবলু। তিনি কেশবপুর উপজেলার সন্ন্যাসগাছা গ্রামের মৃত হাসেম আলীর ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, একটি চেকের মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত শওকাত হোসেন বাবলু দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে কেশবপুর থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারের পর তাকে থানায় হেফাজতে রাখা হয়। শনিবার (১১ এপ্রিল) ভোর ৬টার দিকে হঠাৎ তিনি বুকে ব্যথা অনুভব করেন এবং অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ তাকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় দ্রুত তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে তিনি হৃদরোগজনিত সমস্যায় চিকিৎসাধীন আছেন। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে এবং তিনি আপাতত আশঙ্কামুক্ত।
পুলিশ জানিয়েছে, চিকিৎসা শেষে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে উলাশীতে জিয়া খাল পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

কেশবপুরে চেক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তারের পর অসুস্থ

আপডেট: ১২:১৩:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

যশোরের কেশবপুরে চেকের মামলায় দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের পর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

গ্রেপ্তার হওয়া আসামির নাম শওকাত হোসেন বাবলু। তিনি কেশবপুর উপজেলার সন্ন্যাসগাছা গ্রামের মৃত হাসেম আলীর ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, একটি চেকের মামলায় দুই বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত শওকাত হোসেন বাবলু দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে কেশবপুর থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারের পর তাকে থানায় হেফাজতে রাখা হয়। শনিবার (১১ এপ্রিল) ভোর ৬টার দিকে হঠাৎ তিনি বুকে ব্যথা অনুভব করেন এবং অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ তাকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় দ্রুত তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে তিনি হৃদরোগজনিত সমস্যায় চিকিৎসাধীন আছেন। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে এবং তিনি আপাতত আশঙ্কামুক্ত।
পুলিশ জানিয়েছে, চিকিৎসা শেষে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।