১২:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

গাজীপুরে একসঙ্গে ৫ সন্তানের জন্ম

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:০৮:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫০৫

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় এক গৃহবধূ একসঙ্গে পাঁচটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন—যা দেশের চিকিৎসা ইতিহাসে অত্যন্ত বিরল ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মা ও নবজাতক সবাই বর্তমানে সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

জানা গেছে, কাপাসিয়ার টোক ইউনিয়নের দিগাবো গ্রামের বাসিন্দা কাজল মিয়ার স্ত্রী মাসুমা বেগম গত ৫ এপ্রিল প্রসব বেদনা নিয়ে ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল)-এ ভর্তি হন। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে তিনি একসঙ্গে পাঁচটি সন্তানের জন্ম দেন।
নবজাতকদের মধ্যে তিনজন ছেলে ও দুইজন মেয়ে।
চিকিৎসকদের ভাষ্যমতে, এই ধরনের ক্ষেত্রে শিশুদের ওজন সাধারণত কম থাকে এবং ঝুঁকি বেশি থাকে। তবে আশার কথা হলো—পাঁচ শিশুর সম্মিলিত ওজন প্রায় ৮ কেজি, যেখানে প্রতিটি শিশুর ওজন গড়ে ১.৪ থেকে ১.৫ কেজির মধ্যে, যা তুলনামূলকভাবে ভালো।

চিকিৎসক ডা. কামরুজ্জামান সেলিম বলেন, “একসঙ্গে পাঁচটি সুস্থ শিশুর জন্ম অত্যন্ত বিরল। মা ও শিশুদের বর্তমান অবস্থা স্থিতিশীল এবং আশঙ্কামুক্ত।”

এদিকে, এই বিরল ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার পর দিগাবো গ্রামে উৎসুক জনতার ভিড় জমেছে। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ নবজাতকদের একনজর দেখতে ছুটে আসছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

তবে শিশুদের বাবা-মা আপাতত গণমাধ্যমের সামনে কথা বলতে রাজি হননি। তারা সন্তানদের সুস্থতা ও পারিবারিক গোপনীয়তাকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন।

সব মিলিয়ে, এই ঘটনাটি শুধু একটি পরিবার নয়—পুরো দেশজুড়ে বিস্ময় ও আনন্দের জন্ম দিয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে উলাশীতে জিয়া খাল পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত

গাজীপুরে একসঙ্গে ৫ সন্তানের জন্ম

আপডেট: ১০:০৮:০০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় এক গৃহবধূ একসঙ্গে পাঁচটি সন্তানের জন্ম দিয়েছেন—যা দেশের চিকিৎসা ইতিহাসে অত্যন্ত বিরল ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মা ও নবজাতক সবাই বর্তমানে সুস্থ আছেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

জানা গেছে, কাপাসিয়ার টোক ইউনিয়নের দিগাবো গ্রামের বাসিন্দা কাজল মিয়ার স্ত্রী মাসুমা বেগম গত ৫ এপ্রিল প্রসব বেদনা নিয়ে ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল)-এ ভর্তি হন। সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিবিড় তত্ত্বাবধানে তিনি একসঙ্গে পাঁচটি সন্তানের জন্ম দেন।
নবজাতকদের মধ্যে তিনজন ছেলে ও দুইজন মেয়ে।
চিকিৎসকদের ভাষ্যমতে, এই ধরনের ক্ষেত্রে শিশুদের ওজন সাধারণত কম থাকে এবং ঝুঁকি বেশি থাকে। তবে আশার কথা হলো—পাঁচ শিশুর সম্মিলিত ওজন প্রায় ৮ কেজি, যেখানে প্রতিটি শিশুর ওজন গড়ে ১.৪ থেকে ১.৫ কেজির মধ্যে, যা তুলনামূলকভাবে ভালো।

চিকিৎসক ডা. কামরুজ্জামান সেলিম বলেন, “একসঙ্গে পাঁচটি সুস্থ শিশুর জন্ম অত্যন্ত বিরল। মা ও শিশুদের বর্তমান অবস্থা স্থিতিশীল এবং আশঙ্কামুক্ত।”

এদিকে, এই বিরল ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার পর দিগাবো গ্রামে উৎসুক জনতার ভিড় জমেছে। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ নবজাতকদের একনজর দেখতে ছুটে আসছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

তবে শিশুদের বাবা-মা আপাতত গণমাধ্যমের সামনে কথা বলতে রাজি হননি। তারা সন্তানদের সুস্থতা ও পারিবারিক গোপনীয়তাকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন।

সব মিলিয়ে, এই ঘটনাটি শুধু একটি পরিবার নয়—পুরো দেশজুড়ে বিস্ময় ও আনন্দের জন্ম দিয়েছে।