০১:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারত সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান: নতুন অধ্যায়ের প্রত্যাশায় জোর কূটনৈতিক তৎপরতা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:৪১:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬১১

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান-এর সম্ভাব্য ভারত সফরকে ঘিরে দুই দেশের কূটনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক তৎপরতা শুরু হয়েছে। আগামী ১০ মে’র মধ্যে এই সফর অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। সফরকালে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে, যা দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সোমবার (৬ এপ্রিল) ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে সফরের সম্ভাব্য রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, গত ৫ আগস্টের পর কিছুটা শীতল হয়ে পড়া ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করতে এই সফরকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে নয়াদিল্লি।

আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে প্রায় ২০০ কোটি ডলারের আর্থিক সহায়তা প্যাকেজ, গঙ্গা নদী-এর পানিবণ্টন চুক্তি, এবং সেচ কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য ডিজেল আমদানিসহ জ্বালানি সহযোগিতা। এসব ইস্যু দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের মধ্যে আলোচনায় থাকলেও, এবারের সফরে সেগুলোতে অগ্রগতি হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরসহ একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া সফরে ডা. জোবায়দা রহমান ও জাইমা রহমান-কে আমন্ত্রণ জানানোর সম্ভাবনার কথাও শোনা যাচ্ছে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারই নয়, বরং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ফলে আসন্ন এই সফরকে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সর্বাধিক পঠিত

বড় আঁচড়ায় পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ

ভারত সফরে যাচ্ছেন তারেক রহমান: নতুন অধ্যায়ের প্রত্যাশায় জোর কূটনৈতিক তৎপরতা

আপডেট: ০৭:৪১:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান-এর সম্ভাব্য ভারত সফরকে ঘিরে দুই দেশের কূটনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক তৎপরতা শুরু হয়েছে। আগামী ১০ মে’র মধ্যে এই সফর অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। সফরকালে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে, যা দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন মাত্রা দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সোমবার (৬ এপ্রিল) ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে সফরের সম্ভাব্য রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, গত ৫ আগস্টের পর কিছুটা শীতল হয়ে পড়া ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করতে এই সফরকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে নয়াদিল্লি।

আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে প্রায় ২০০ কোটি ডলারের আর্থিক সহায়তা প্যাকেজ, গঙ্গা নদী-এর পানিবণ্টন চুক্তি, এবং সেচ কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য ডিজেল আমদানিসহ জ্বালানি সহযোগিতা। এসব ইস্যু দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের মধ্যে আলোচনায় থাকলেও, এবারের সফরে সেগুলোতে অগ্রগতি হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরসহ একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া সফরে ডা. জোবায়দা রহমান ও জাইমা রহমান-কে আমন্ত্রণ জানানোর সম্ভাবনার কথাও শোনা যাচ্ছে।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারই নয়, বরং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ফলে আসন্ন এই সফরকে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।