০৯:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

ঝিকরগাছা-চৌগাছায় বিএনপি নেত্রীর বিরুদ্ধে অপবাদ, দলের শৃঙ্খলা রক্ষা দাবি

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:০০:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
  • ৫১১

ঝিকরগাছা ও চৌগাছা উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ সাবেরা সুলতানার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগকে দলের ঐক্য বিনষ্টের অপচেষ্টা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তারা হাই কমান্ডের কাছে তার বিভ্রান্তিকর কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মোর্ত্তজা এলাহী টিপু, চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জহুরুল হকসহ দুই উপজেলার বিএনপি, পৌর ও ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবেরা সুলতানা বলেন, “এরা একটি সংঘবদ্ধ রাজনৈতিক চক্র, যারা বিশেষ সময়গুলিতে দলের বিপক্ষে কাজ করে। ৫ আগস্টের আগে তারা আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এরপরও এলাকার চাঁদাবাজি, দখলবাজি, মাদকসহ নানা অপকর্মে তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছে। দফায় দফায় জামায়াতের সঙ্গে বৈঠক ও আর্থিক লেনদেনের তথ্য রয়েছে। দল আমাকে যাচাই-বাছাই করে মনোনয়ন দিয়েছে, এবং নির্বাচিত হলে অনৈতিক কাজে বিঘ্নতা ঘটার আশঙ্কায় তারা বিরোধিতা করছে।”

এ ধরনের বিতর্কের কারণে সাবেরা সুলতানা নিজ কেন্দ্র কীর্তিপুরসহ বেশিরভাগ কেন্দ্রে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়েছেন বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা উল্লেখ করেছেন।

সর্বাধিক পঠিত

যশোর আদালতে মাহমুদা কাণ্ডে সংঘর্ষ, শ্লীলতাহানির অভিযোগে উত্তেজনা—একজনের কারাদণ্ড

ঝিকরগাছা-চৌগাছায় বিএনপি নেত্রীর বিরুদ্ধে অপবাদ, দলের শৃঙ্খলা রক্ষা দাবি

আপডেট: ১০:০০:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

ঝিকরগাছা ও চৌগাছা উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ সাবেরা সুলতানার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগকে দলের ঐক্য বিনষ্টের অপচেষ্টা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তারা হাই কমান্ডের কাছে তার বিভ্রান্তিকর কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ঝিকরগাছা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মোর্ত্তজা এলাহী টিপু, চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি জহুরুল হকসহ দুই উপজেলার বিএনপি, পৌর ও ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবেরা সুলতানা বলেন, “এরা একটি সংঘবদ্ধ রাজনৈতিক চক্র, যারা বিশেষ সময়গুলিতে দলের বিপক্ষে কাজ করে। ৫ আগস্টের আগে তারা আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এরপরও এলাকার চাঁদাবাজি, দখলবাজি, মাদকসহ নানা অপকর্মে তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করেছে। দফায় দফায় জামায়াতের সঙ্গে বৈঠক ও আর্থিক লেনদেনের তথ্য রয়েছে। দল আমাকে যাচাই-বাছাই করে মনোনয়ন দিয়েছে, এবং নির্বাচিত হলে অনৈতিক কাজে বিঘ্নতা ঘটার আশঙ্কায় তারা বিরোধিতা করছে।”

এ ধরনের বিতর্কের কারণে সাবেরা সুলতানা নিজ কেন্দ্র কীর্তিপুরসহ বেশিরভাগ কেন্দ্রে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়েছেন বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা উল্লেখ করেছেন।