ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণার শেষ দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। বরগুনায় সাবেক এক সংসদ সদস্যকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়েছে। এছাড়া কুমিল্লা ও গাজীপুরের টঙ্গীতে সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বরগুনা-২ (বেতাগী-পাথরঘাটা-বামনা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম সরোয়ার হিরু দুর্বৃত্তদের হামলার শিকার হয়েছেন। সোমবার বিকেল ৪টার দিকে পাথরঘাটা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডে নিজ বাসভবনের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ব্যক্তিগত কাজে বাজারে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হলে ৩-৪ জন দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র ও লোহার পাইপ নিয়ে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এসময় জামায়াতে ইসলামীর একটি মিছিল সেখান দিয়ে যাওয়ার সময় নেতা-কর্মীরা তাকে উদ্ধার করেন। পরে নৌবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
কুমিল্লার দেবিদ্বারে এনসিপি প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহর সমর্থকদের হামলায় বিএনপির ৩ কর্মী আহত হয়েছেন। আহতরা গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. জসিম উদ্দিনের (ট্রাক প্রতীক) পক্ষে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় মাইকিং করছিলেন। গত রোববার রাতে উপজেলার সুবিল ইউনিয়নের ওয়াহেদপুর দক্ষিণ বাজারে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গাজীপুরের টঙ্গীতে নির্বাচনী মিছিল চলাকালীন বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বিকেলে টঙ্গী স্টেশন রোড এলাকায় গাজীপুর-২ আসনের প্রার্থী এম মঞ্জুরুল করিম রনির মিছিল চলাকালে দুই নেতার সমর্থকদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নিলে অন্তত ১০ জন আহত হন।
এদিকে লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শিহাব আহম্মেদের গাড়িবহরেও হামলার খবর পাওয়া গেছে। প্রচারণার শেষ মুহূর্তে এমন সহিংসতায় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।





















