০১:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

বাসি গ্রিল-কাঁচা মাংসে পত্রিকার কালি: ‘পাঁচ ফোড়ন’ রেস্টুরেন্টকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৩:৪৭:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৬০

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাসি খাবার সংরক্ষণ এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ খাদ্যদ্রব্য রাখার অভিযোগে যশোরের এম. কে. রোডে অবস্থিত জনপ্রিয় রেস্টুরেন্ট ‘পাঁচ ফোড়ন’-কে বিপুল অঙ্কের জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। আজ বুধবার (৫ নভেম্বর) এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
🚫 নোংরা পরিবেশে বাসি খাবার: ১ লাখ টাকা জরিমানা
যশোর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সেলিমুজ্জামান এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন। তিনি জানান, নিয়মিত বাসি ও পচা খাবার পুনরায় রান্না করে বিক্রির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল রেস্টুরেন্টটির বিরুদ্ধে। বিশেষ করে গ্রিলের জন্য ব্যবহৃত মুরগির মাংস বাসি অবস্থায় সংরক্ষণ করা হতো।
অভিযানকালে দেখা যায়, রেস্টুরেন্টের ফ্রিজে নোংরা পরিবেশে কাঁচা মুরগির মাংসের সঙ্গে গ্রিল রাখা হয়েছে। আরও উদ্বেগজনকভাবে, সেই মাংস পুরোনো পত্রিকার কাগজে মোড়ানো ছিল, যার কালি মাংসে লেগে ছিল।
> সহকারী পরিচালক মো. সেলিমুজ্জামান বলেন, “পত্রিকার কালিযুক্ত মাংস স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং ক্যান্সারের কারণ হতে পারে।”
>
এছাড়াও, ফ্রিজে মেয়াদোত্তীর্ণ কাসুন্দি, সস ও মেওনেজ পাওয়া যায়। এই সব গুরুতর অসঙ্গতির কারণে রেস্টুরেন্টটির মালিকের কাছ থেকে এক লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। অভিযানে জব্দ করা নষ্ট খাবারগুলো তাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।
এই অভিযানে সদর উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মহিবুর রহমান, ক্যাব (কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) এর প্রতিনিধি এবং পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বাধিক পঠিত

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবার যাত্রীবাহী বাস পদ্মায়, চালক-সহকারী উদ্ধার

বাসি গ্রিল-কাঁচা মাংসে পত্রিকার কালি: ‘পাঁচ ফোড়ন’ রেস্টুরেন্টকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

আপডেট: ০৩:৪৭:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বাসি খাবার সংরক্ষণ এবং মেয়াদ উত্তীর্ণ খাদ্যদ্রব্য রাখার অভিযোগে যশোরের এম. কে. রোডে অবস্থিত জনপ্রিয় রেস্টুরেন্ট ‘পাঁচ ফোড়ন’-কে বিপুল অঙ্কের জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। আজ বুধবার (৫ নভেম্বর) এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
🚫 নোংরা পরিবেশে বাসি খাবার: ১ লাখ টাকা জরিমানা
যশোর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. সেলিমুজ্জামান এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন। তিনি জানান, নিয়মিত বাসি ও পচা খাবার পুনরায় রান্না করে বিক্রির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল রেস্টুরেন্টটির বিরুদ্ধে। বিশেষ করে গ্রিলের জন্য ব্যবহৃত মুরগির মাংস বাসি অবস্থায় সংরক্ষণ করা হতো।
অভিযানকালে দেখা যায়, রেস্টুরেন্টের ফ্রিজে নোংরা পরিবেশে কাঁচা মুরগির মাংসের সঙ্গে গ্রিল রাখা হয়েছে। আরও উদ্বেগজনকভাবে, সেই মাংস পুরোনো পত্রিকার কাগজে মোড়ানো ছিল, যার কালি মাংসে লেগে ছিল।
> সহকারী পরিচালক মো. সেলিমুজ্জামান বলেন, “পত্রিকার কালিযুক্ত মাংস স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং ক্যান্সারের কারণ হতে পারে।”
>
এছাড়াও, ফ্রিজে মেয়াদোত্তীর্ণ কাসুন্দি, সস ও মেওনেজ পাওয়া যায়। এই সব গুরুতর অসঙ্গতির কারণে রেস্টুরেন্টটির মালিকের কাছ থেকে এক লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। অভিযানে জব্দ করা নষ্ট খাবারগুলো তাৎক্ষণিকভাবে ধ্বংস করা হয়েছে।
এই অভিযানে সদর উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মহিবুর রহমান, ক্যাব (কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) এর প্রতিনিধি এবং পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।