১২:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

চলন্ত চিত্রা এক্সপ্রেসে নারীর ব্যাগ ছিনতাই!

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০১:২৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৫৪

শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫: চলন্ত ট্রেনে আবারও ঘটল ছিনতাইয়ের ঘটনা। গত ২৯ অক্টোবর ভোরে যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া রেলস্টেশনে খুলনাগামী চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনে যাত্রী বেশে থাকা দুষ্কৃতকারীরা এক নারীর ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। ব্যাগে নগদ ৩২ হাজার টাকা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ ছিল বলে জানা গেছে।
ট্রেনে নিরাপত্তা শূন্যতা: ছিনতাইকারীর দৌরাত্ম্য
ভুক্তভোগী রেখা রানী দাস তাঁর ছেলে জয় চন্দ্র দাসের সঙ্গে টাঙ্গাইল থেকে খুলনার দিকে যাচ্ছিলেন। জয় চন্দ্র দাস খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত ডিসিপ্লিনের একজন শিক্ষার্থী এবং তিনি টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৯ অক্টোবর ভোর সাড়ে চারটার দিকে ট্রেনটি নওয়াপাড়া রেলস্টেশনে পৌঁছায়। ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটে ট্রেনটি যখন খুলনার উদ্দেশ্যে ধীর গতিতে যাত্রা শুরু করে, ঠিক তখনই যাত্রীবেশে থাকা দুই-তিনজন ছিনতাইকারী রেখা রানী দাসের ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে প্ল্যাটফর্মে নেমে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
এজাহারে গুরুতর অভিযোগ করা হয়েছে, ছিনতাইয়ের ঘটনার সময় ট্রেনের ওই বগিতে কোনো পুলিশ বা নিরাপত্তাকর্মী উপস্থিত ছিলেন না, আর এই সুযোগটিই কাজে লাগায় দুষ্কৃতকারীরা।
খুলনা জিআরপি থানায় মামলা
ছিনতাইয়ের শিকার হওয়ার পর খুলনায় পৌঁছে ভুক্তভোগী নারীর ছেলে জয় চন্দ্র দাস খুলনা জিআরপি (গভর্নমেন্ট রেলওয়ে পুলিশ) থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। পরদিন অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়।
সাম্প্রতিককালে চলন্ত ট্রেনে যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠলেও, ট্রেনের কামরায় পুলিশ বা নিরাপত্তাকর্মীদের অনুপস্থিতি প্রায়শই ছিনতাইকারীদের সুযোগ করে দিচ্ছে। এই ঘটনার পর ট্রেন যাত্রীদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ও ভুক্তভোগীর পরিবার।

সর্বাধিক পঠিত

দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আবার যাত্রীবাহী বাস পদ্মায়, চালক-সহকারী উদ্ধার

চলন্ত চিত্রা এক্সপ্রেসে নারীর ব্যাগ ছিনতাই!

আপডেট: ০১:২৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫: চলন্ত ট্রেনে আবারও ঘটল ছিনতাইয়ের ঘটনা। গত ২৯ অক্টোবর ভোরে যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া রেলস্টেশনে খুলনাগামী চিত্রা এক্সপ্রেস ট্রেনে যাত্রী বেশে থাকা দুষ্কৃতকারীরা এক নারীর ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। ব্যাগে নগদ ৩২ হাজার টাকা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ ছিল বলে জানা গেছে।
ট্রেনে নিরাপত্তা শূন্যতা: ছিনতাইকারীর দৌরাত্ম্য
ভুক্তভোগী রেখা রানী দাস তাঁর ছেলে জয় চন্দ্র দাসের সঙ্গে টাঙ্গাইল থেকে খুলনার দিকে যাচ্ছিলেন। জয় চন্দ্র দাস খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত ডিসিপ্লিনের একজন শিক্ষার্থী এবং তিনি টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৯ অক্টোবর ভোর সাড়ে চারটার দিকে ট্রেনটি নওয়াপাড়া রেলস্টেশনে পৌঁছায়। ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটে ট্রেনটি যখন খুলনার উদ্দেশ্যে ধীর গতিতে যাত্রা শুরু করে, ঠিক তখনই যাত্রীবেশে থাকা দুই-তিনজন ছিনতাইকারী রেখা রানী দাসের ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে প্ল্যাটফর্মে নেমে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
এজাহারে গুরুতর অভিযোগ করা হয়েছে, ছিনতাইয়ের ঘটনার সময় ট্রেনের ওই বগিতে কোনো পুলিশ বা নিরাপত্তাকর্মী উপস্থিত ছিলেন না, আর এই সুযোগটিই কাজে লাগায় দুষ্কৃতকারীরা।
খুলনা জিআরপি থানায় মামলা
ছিনতাইয়ের শিকার হওয়ার পর খুলনায় পৌঁছে ভুক্তভোগী নারীর ছেলে জয় চন্দ্র দাস খুলনা জিআরপি (গভর্নমেন্ট রেলওয়ে পুলিশ) থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। পরদিন অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়।
সাম্প্রতিককালে চলন্ত ট্রেনে যাত্রী নিরাপত্তা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠলেও, ট্রেনের কামরায় পুলিশ বা নিরাপত্তাকর্মীদের অনুপস্থিতি প্রায়শই ছিনতাইকারীদের সুযোগ করে দিচ্ছে। এই ঘটনার পর ট্রেন যাত্রীদের নিরাপত্তা আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ও ভুক্তভোগীর পরিবার।