১০:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংসদের হিন্দু নারী আইনপ্রণেতা কণিকা বিশ্বাস আর নেই

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৫:২৫:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
  • ৫৫৫

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের একমাত্র হিন্দু নারী আইনপ্রণেতা শ্রীমতী কণিকা বিশ্বাস বুধবার (২৯ অক্টোবর) কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
জীবন ও রাজনৈতিক পরিচিতি
মতুয়াদের তীর্থভূমি গোপালগঞ্জের ওড়াকান্দিতে কণিকা বিশ্বাসের জন্ম ও বেড়ে ওঠা। স্কুল ও কলেজ জীবনে তিনি ছিলেন তৎকালীন আওয়ামী লীগের একজন লড়াকু ছাত্রনেত্রী।
পরবর্তীকালে, আওয়ামী লীগের ছয় দফার মধ্যে ধর্মনিরপেক্ষতার দাবি সংযুক্তি নিয়ে মতবিরোধের জেরে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সংখ্যালঘু নেতারা গঠন করেন জাতীয় গণমুক্তি দল। কণিকা বিশ্বাস এই দলে যোগ দেন এবং অন্যতম মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন। ব্যক্তিগতভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে তাঁর পারিবারিক সম্পর্ক ছিল।
জনসেবা ও দেশান্তর
প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও জননেতা বীরেন্দ্রনাথ বিশ্বাসের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর তিনি সমাজের বঞ্চিতদের অধিকার রক্ষা আন্দোলনে নিজেকে উৎসর্গ করেন।
* ১৯৭৩ সালে সাংসদ মনোনীত হওয়ার পর তিনি অসংখ্য জনহিতকর কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং শেখ মুজিবুর রহমানের অত্যন্ত প্রিয়ভাজন ছিলেন।
* ১৯৭৫ সালে সপরিবারে শেখ মুজিব ও শীর্ষ নেতাদের হত্যাকাণ্ডের পর তিনি ভারতে চলে যান।
ভারতে গিয়েও তিনি বহু জনকল্যাণমূলক কাজে নিজেকে যুক্ত রাখেন। বিশেষত বঞ্চিত সমাজ ও ছিন্নমূল বাঙালির অভিশাপ মুক্তির যেকোনো আন্দোলনে তিনি ছিলেন অনুপ্রেরণা স্বরূপ।
🕊️ শোকের ছায়া
তাঁর মৃত্যু সংবাদে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের বাঙালি, বিশেষ করে মতুয়া সমাজে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সর্বাধিক পঠিত

চৌগাছায় ঝন্টু হত্যার প্রধান আসামি আবু ওবায়দা আটক

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংসদের হিন্দু নারী আইনপ্রণেতা কণিকা বিশ্বাস আর নেই

আপডেট: ০৫:২৫:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের একমাত্র হিন্দু নারী আইনপ্রণেতা শ্রীমতী কণিকা বিশ্বাস বুধবার (২৯ অক্টোবর) কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
জীবন ও রাজনৈতিক পরিচিতি
মতুয়াদের তীর্থভূমি গোপালগঞ্জের ওড়াকান্দিতে কণিকা বিশ্বাসের জন্ম ও বেড়ে ওঠা। স্কুল ও কলেজ জীবনে তিনি ছিলেন তৎকালীন আওয়ামী লীগের একজন লড়াকু ছাত্রনেত্রী।
পরবর্তীকালে, আওয়ামী লীগের ছয় দফার মধ্যে ধর্মনিরপেক্ষতার দাবি সংযুক্তি নিয়ে মতবিরোধের জেরে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সংখ্যালঘু নেতারা গঠন করেন জাতীয় গণমুক্তি দল। কণিকা বিশ্বাস এই দলে যোগ দেন এবং অন্যতম মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন। ব্যক্তিগতভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে তাঁর পারিবারিক সম্পর্ক ছিল।
জনসেবা ও দেশান্তর
প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও জননেতা বীরেন্দ্রনাথ বিশ্বাসের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর তিনি সমাজের বঞ্চিতদের অধিকার রক্ষা আন্দোলনে নিজেকে উৎসর্গ করেন।
* ১৯৭৩ সালে সাংসদ মনোনীত হওয়ার পর তিনি অসংখ্য জনহিতকর কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং শেখ মুজিবুর রহমানের অত্যন্ত প্রিয়ভাজন ছিলেন।
* ১৯৭৫ সালে সপরিবারে শেখ মুজিব ও শীর্ষ নেতাদের হত্যাকাণ্ডের পর তিনি ভারতে চলে যান।
ভারতে গিয়েও তিনি বহু জনকল্যাণমূলক কাজে নিজেকে যুক্ত রাখেন। বিশেষত বঞ্চিত সমাজ ও ছিন্নমূল বাঙালির অভিশাপ মুক্তির যেকোনো আন্দোলনে তিনি ছিলেন অনুপ্রেরণা স্বরূপ।
🕊️ শোকের ছায়া
তাঁর মৃত্যু সংবাদে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের বাঙালি, বিশেষ করে মতুয়া সমাজে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।