১১:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬

ঝিকরগাছায় টাকা আদায় ও থানার সামনে মারধরের অভিযোগ, এএসআইয়ের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৭:২৪:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ৫০৯

যশোরের ঝিকরগাছা থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে এক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা আদায় এবং থানার সামনে প্রকাশ্যে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) উপজেলার কৃষ্ণনগর এলাকার মৃত মোজাফ্ফরের ছেলে আসাদুজ্জামান মামলাটি করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বাদীর ভাইকে গ্রেপ্তারের পর ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে তাঁর কাছে টাকা দাবি করা হয়। পরে টাকা নেওয়ার পরও অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়। একপর্যায়ে থানার সামনে তাঁকে মারধর করা হয়।

আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে মামলাটি তদন্তের জন্য অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস)-কে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, গত ২৩ অক্টোবর রাত সাড়ে ৩টার দিকে এএসআই আশরাফুল আলম কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর বাড়িতে যান। এ সময় তাঁরা বাদীর সেজো ভাই মো. রেজাউল করিমকে খুঁজতে থাকেন। তাঁকে বাড়িতে না পেয়ে বাদীর কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে ওই টাকা দিতে বলা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, টাকা দিতে না পারায় পরদিন ২৪ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রেজাউল করিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে আসাদুজ্জামানের কাছে কল আসে। তখন তিনি জানতে পারেন, তাঁর ভাইকে ঝিকরগাছা থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। পরে ভাইয়ের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ নিতে তিনি থানায় যান।

সেখানে ডিউটি অফিসারের কক্ষের সামনে থেকে তাঁকে হাজতখানার সামনে নিয়ে যান এএসআই আশরাফুল আলম। এ সময় তাঁর বাম পকেট থেকে নগদ ২ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা দাবি করা হয়। তাঁর ভাইয়ের মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন আটকে রাখা হয় এবং মানিব্যাগ দিতে অস্বীকৃতি জানানো হয়।

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, পরে থানা থেকে বের হওয়ার সময় মানিব্যাগটি নিচে পড়ে যায়। সেটি তুলতে গেলে এএসআই আশরাফুল আলম তাঁকে সজোরে থাপ্পড় মারেন এবং ভয়ভীতি দেখান। পুরো ঘটনাটি থানার সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয়েছে বলেও আদালতে দায়ের করা মামলায় উল্লেখ করেছেন বাদী।

তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

সর্বাধিক পঠিত

মাগুরায় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য সচেতনতায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ঝিকরগাছায় টাকা আদায় ও থানার সামনে মারধরের অভিযোগ, এএসআইয়ের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

আপডেট: ০৭:২৪:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

যশোরের ঝিকরগাছা থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আশরাফুল আলমের বিরুদ্ধে এক ব্যক্তির কাছ থেকে টাকা আদায় এবং থানার সামনে প্রকাশ্যে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) উপজেলার কৃষ্ণনগর এলাকার মৃত মোজাফ্ফরের ছেলে আসাদুজ্জামান মামলাটি করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বাদীর ভাইকে গ্রেপ্তারের পর ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে তাঁর কাছে টাকা দাবি করা হয়। পরে টাকা নেওয়ার পরও অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হয়। একপর্যায়ে থানার সামনে তাঁকে মারধর করা হয়।

আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে মামলাটি তদন্তের জন্য অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস)-কে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, গত ২৩ অক্টোবর রাত সাড়ে ৩টার দিকে এএসআই আশরাফুল আলম কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে তাঁর বাড়িতে যান। এ সময় তাঁরা বাদীর সেজো ভাই মো. রেজাউল করিমকে খুঁজতে থাকেন। তাঁকে বাড়িতে না পেয়ে বাদীর কাছে ১০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে ওই টাকা দিতে বলা হয়।

অভিযোগ অনুযায়ী, টাকা দিতে না পারায় পরদিন ২৪ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রেজাউল করিমের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকে আসাদুজ্জামানের কাছে কল আসে। তখন তিনি জানতে পারেন, তাঁর ভাইকে ঝিকরগাছা থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। পরে ভাইয়ের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল, মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ নিতে তিনি থানায় যান।

সেখানে ডিউটি অফিসারের কক্ষের সামনে থেকে তাঁকে হাজতখানার সামনে নিয়ে যান এএসআই আশরাফুল আলম। এ সময় তাঁর বাম পকেট থেকে নগদ ২ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা দাবি করা হয়। তাঁর ভাইয়ের মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন আটকে রাখা হয় এবং মানিব্যাগ দিতে অস্বীকৃতি জানানো হয়।

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, পরে থানা থেকে বের হওয়ার সময় মানিব্যাগটি নিচে পড়ে যায়। সেটি তুলতে গেলে এএসআই আশরাফুল আলম তাঁকে সজোরে থাপ্পড় মারেন এবং ভয়ভীতি দেখান। পুরো ঘটনাটি থানার সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণ হয়েছে বলেও আদালতে দায়ের করা মামলায় উল্লেখ করেছেন বাদী।

তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।