০২:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

যশোরে অষ্টম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:১৬:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫০৯

যশোরে ১৪ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে (অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী) বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে ইউসুফ (২০) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবার করা নালিশি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে।

**মামলার বিবরণ ও অভিযোগ:**
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ছাত্রী যশোর সদর উপজেলার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। স্কুলে যাতায়াতের পথে তাকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ফুসলিয়ের আসছিলেন অভিযুক্ত ইউসুফ।

গত ৩ অক্টোবর সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে বাড়িতে পুরুষ সদস্যদের অনুপস্থিতির সুযোগে ওই ছাত্রীকে একটি মাইক্রোবাসে করে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে অভিযুক্তের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। বেলা ১১টার দিকে বিষয়টি জানতে পেরে মেয়েকে ফিরিয়ে আনতে অভিযুক্তের বাড়িতে যান তার বাবা। এ সময় মেয়েকে ফেরত চাইলে অভিযুক্ত ইউসুফ তাকে বিয়ে করার শর্ত দেন এবং বিয়ে সম্পন্ন করার পরেই তাকে ফেরত দেবেন বলে জানান।

পরবর্তী সময়ে বাদী বিভিন্ন নিকাহ রেজিস্ট্রারের (কাজি অফিস) কাছে খোঁজ নিয়ে মেয়ের বিয়ের কোনো বৈধ তথ্য বা কাবিননামার সত্যতা পাননি। বাদীর অভিযোগ, অভিযুক্ত ইউসুফ তাঁর নাবালিকা মেয়েকে ফুসলিয়ে কিংবা ইচ্ছার বিরুদ্ধে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে ধর্ষণ করেছেন।

মামলার অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, মেয়েকে উদ্ধারের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর গত ৪ অক্টোবর ভুক্তভোগীর বাবা যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলা করতে যান। কিন্তু থানা পুলিশ মামলা না নিয়ে তাঁকে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেয়। এরপর বাধ্য হয়ে তিনি যশোরের সংশ্লিষ্ট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে নালিশি অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে বাদী তাঁর মেয়েকে উদ্ধার, শারীরিক পরীক্ষা ও ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং মেয়েকে সুস্থ অবস্থায় নিজ হেফাজতে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান। পরবর্তীতে আদালতের আদেশের পর কোতোয়ালি থানা পুলিশ অভিযোগটিকে নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করে।

তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউসুফ বা তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে উদ্ধার এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতারে আইনগত পদক্ষেপ অব্যাহত রয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের পেনশন বিভাগে ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগ

যশোরে অষ্টম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ

আপডেট: ১০:১৬:০২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

যশোরে ১৪ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে (অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী) বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে ইউসুফ (২০) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবার করা নালিশি অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতের নির্দেশে যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে।

**মামলার বিবরণ ও অভিযোগ:**
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ছাত্রী যশোর সদর উপজেলার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী। স্কুলে যাতায়াতের পথে তাকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে ফুসলিয়ের আসছিলেন অভিযুক্ত ইউসুফ।

গত ৩ অক্টোবর সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে বাড়িতে পুরুষ সদস্যদের অনুপস্থিতির সুযোগে ওই ছাত্রীকে একটি মাইক্রোবাসে করে জোরপূর্বক বা ফুসলিয়ে অভিযুক্তের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। বেলা ১১টার দিকে বিষয়টি জানতে পেরে মেয়েকে ফিরিয়ে আনতে অভিযুক্তের বাড়িতে যান তার বাবা। এ সময় মেয়েকে ফেরত চাইলে অভিযুক্ত ইউসুফ তাকে বিয়ে করার শর্ত দেন এবং বিয়ে সম্পন্ন করার পরেই তাকে ফেরত দেবেন বলে জানান।

পরবর্তী সময়ে বাদী বিভিন্ন নিকাহ রেজিস্ট্রারের (কাজি অফিস) কাছে খোঁজ নিয়ে মেয়ের বিয়ের কোনো বৈধ তথ্য বা কাবিননামার সত্যতা পাননি। বাদীর অভিযোগ, অভিযুক্ত ইউসুফ তাঁর নাবালিকা মেয়েকে ফুসলিয়ে কিংবা ইচ্ছার বিরুদ্ধে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে ধর্ষণ করেছেন।

মামলার অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, মেয়েকে উদ্ধারের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর গত ৪ অক্টোবর ভুক্তভোগীর বাবা যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলা করতে যান। কিন্তু থানা পুলিশ মামলা না নিয়ে তাঁকে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেয়। এরপর বাধ্য হয়ে তিনি যশোরের সংশ্লিষ্ট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে নালিশি অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে বাদী তাঁর মেয়েকে উদ্ধার, শারীরিক পরীক্ষা ও ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং মেয়েকে সুস্থ অবস্থায় নিজ হেফাজতে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান। পরবর্তীতে আদালতের আদেশের পর কোতোয়ালি থানা পুলিশ অভিযোগটিকে নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করে।

তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউসুফ বা তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে উদ্ধার এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতারে আইনগত পদক্ষেপ অব্যাহত রয়েছে।