চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামী ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) প্রকাশ করা হবে। বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফল প্রকাশের বিস্তারিত তথ্য ও ফল জানার পদ্ধতি ২৬ অক্টোবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানোর কথা রয়েছে। ।
ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই অনলাইনে অথবা মোবাইল ফোনে খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন। এ জন্য সরাসরি শিক্ষা বোর্ড বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না।
### অনলাইনে এইচএসসি রেজাল্ট ২০২৬ দেখবেন যেভাবে
শিক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের সমন্বিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল দেখতে পারবেন।
ওয়েবসাইট: [educationboardresults.gov.bd](https://educationboardresults.gov.bd)
ফল দেখতে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে—
১. প্রথমে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করুন।
২. পরীক্ষার তালিকা থেকে ‘HSC/Alim/Equivalent’ নির্বাচন করুন।
৩. পরীক্ষার বছর হিসেবে ২০২৬ নির্বাচন করুন।
৪. নিজের শিক্ষা বোর্ড নির্বাচন করুন।
৫. নির্ধারিত ঘরে পরীক্ষার রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখুন।
৬. প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করে সাবমিট করুন।
এরপর স্ক্রিনে পরীক্ষার ফলাফল দেখা যাবে। ওয়েবসাইটে মার্কশিট দেখার সুবিধা পাওয়া গেলে সেখান থেকেও প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা যাবে।
ইন্টারনেট ব্যবহার করতে না পারলেও মোবাইল ফোনের এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানার সুযোগ রয়েছে। তবে ফল প্রকাশের সময় শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
সাধারণত এসএমএসের ফরম্যাট:
`HSC [বোর্ডের প্রথম তিন অক্ষর] [রোল নম্বর] 2026`
উদাহরণ: ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর ১২৩৪৫৬ হলে লিখতে হবে—
`HSC DHA 123456 2026`
এরপর বার্তাটি ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে ফলাফল জানানো হবে। এ ক্ষেত্রে মোবাইল অপারেটরের নির্ধারিত চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে। ফল প্রকাশের আগে বোর্ডের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনার সঙ্গে এসএমএসের ফরম্যাট ও নম্বর মিলিয়ে নেওয়া উচিত।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও নির্ধারিত ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তাদের শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত ফল সংগ্রহ করতে পারবে। এ জন্য প্রতিষ্ঠানের ইআইআইএন (EIIN) নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য ব্যবহার করতে হবে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফল সংগ্রহের ক্ষেত্রে শিক্ষা বোর্ডের নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, ২০২৬ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। দেশের সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ফল প্রকাশের দিন ওয়েবসাইটে অতিরিক্ত চাপের কারণে ফল দেখতে সমস্যা হলে কিছুক্ষণ পর আবার চেষ্টা করা যেতে পারে। পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ফলাফলসংক্রান্ত সর্বশেষ নির্দেশনার জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের আনুষ্ঠানিক ওয়েবসাইট অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।




















