যশোরের মণিরামপুরে গরুর বাছুর প্রতিবেশীর বাড়িতে যাওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারীর পেটে লাথি মারার অভিযোগ উঠেছে। এতে গর্ভের সন্তান ঝুঁকির মুখে পড়েছে বলে দাবি করেছে তাঁর পরিবার। এ ঘটনায় দুই প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা খানপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত নারীর নাম রাবেয়া আক্তার মুক্তা (২৫)। তিনি ওই গ্রামের আনিছুর রহমানের স্ত্রী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে একটি গরুর বাছুর প্রতিবেশীর বাড়িতে যাওয়াকে কেন্দ্র করে আনিছুর রহমানের পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশী আব্দুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী ময়না বেগমের বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে আনিছুর রহমানের ছোট ভাই হাদিউর রহমানকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ সময় পরিবারের সদস্যদের রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে অন্তঃসত্ত্বা মুক্তাকে টানাহেঁচড়া করা হয় এবং তাঁর পেটে লাথি মারা হয় বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনেরা। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।
আহত মুক্তার অভিযোগ, তিনি চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে লক্ষ্য করে হামলা চালনো হয়েছে। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আমাদের সঙ্গে বিরোধ থাকতে পারে, কিন্তু আমার গর্ভের সন্তানের কী দোষ?”
ঘটনার পর প্রথমে মুক্তাকে মণিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরিবারের দাবি, তাঁর রক্তক্ষরণ ও বমির সমস্যা দেখা দিয়েছে।
এ ঘটনায় মুক্তার স্বামী আনিছুর রহমান প্রতিবেশী আব্দুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী ময়না বেগমের বিরুদ্ধে মণিরামপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
মণিরামপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের ফলও এখনো জানা যায়নি।





















