০৯:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় শার্শা-বেনাপোলে পুলিশের বিশেষ প্রস্তুতি, যৌথ ব্রিফিং সভা অনুষ্ঠিত

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১২:১৪:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫০৭

শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে যশোরের শার্শা ও বেনাপোল এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে পুলিশ। এ উপলক্ষে শার্শা ও বেনাপোল পোর্ট থানার পুলিশ সদস্যদের অংশগ্রহণে একটি যৌথ ব্রিফিং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার পুলিশ সুপার, যশোরের নির্দেশনায় শার্শা থানার গ্রাউন্ডে এ ব্রিফিং সভার আয়োজন করা হয়। এতে দুর্গাপূজায় নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন নাভারণ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আরিফ হোসেন, শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামিনুল হক, বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা।

ব্রিফিং সভায় পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দর্শনার্থীদের নির্বিঘ্ন চলাচল, যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার ও সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

নিরাপত্তা পরিকল্পনা অনুযায়ী, পূজামণ্ডপগুলোতে আনসার সদস্য ও পূজা উদযাপন কমিটির স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি টহল পুলিশ এবং সাদাপোশাকের পুলিশ সদস্যরা নজরদারি করবেন। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) ও কন্ট্রোল রুম প্রস্তুত রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

শার্শা ও বেনাপোল সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় দুর্গাপূজা চলাকালে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধসহ সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অতিরিক্ত পুলিশি টহল জোরদারের বিষয়েও আলোচনা হয়। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে কেউ যাতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে জন্য বিশেষ নজরদারি রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সভায় পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, দুর্গাপূজা ধর্মীয় উৎসবের পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সহাবস্থানের প্রতীক। সবার অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রাখতে এবং সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে।

এ সময় স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটি, স্বেচ্ছাসেবক ও এলাকাবাসীকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট থানা অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সর্বাধিক পঠিত

নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে দালাল সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস ডিডি মেহেদীর

দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় শার্শা-বেনাপোলে পুলিশের বিশেষ প্রস্তুতি, যৌথ ব্রিফিং সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট: ১২:১৪:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে যশোরের শার্শা ও বেনাপোল এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে পুলিশ। এ উপলক্ষে শার্শা ও বেনাপোল পোর্ট থানার পুলিশ সদস্যদের অংশগ্রহণে একটি যৌথ ব্রিফিং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার পুলিশ সুপার, যশোরের নির্দেশনায় শার্শা থানার গ্রাউন্ডে এ ব্রিফিং সভার আয়োজন করা হয়। এতে দুর্গাপূজায় নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন নাভারণ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. আরিফ হোসেন, শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামিনুল হক, বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আশরাফ হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা।

ব্রিফিং সভায় পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, দর্শনার্থীদের নির্বিঘ্ন চলাচল, যানজট নিয়ন্ত্রণ এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার ও সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

নিরাপত্তা পরিকল্পনা অনুযায়ী, পূজামণ্ডপগুলোতে আনসার সদস্য ও পূজা উদযাপন কমিটির স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি টহল পুলিশ এবং সাদাপোশাকের পুলিশ সদস্যরা নজরদারি করবেন। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় কুইক রেসপন্স টিম (কিউআরটি) ও কন্ট্রোল রুম প্রস্তুত রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

শার্শা ও বেনাপোল সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় দুর্গাপূজা চলাকালে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধসহ সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অতিরিক্ত পুলিশি টহল জোরদারের বিষয়েও আলোচনা হয়। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে কেউ যাতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে জন্য বিশেষ নজরদারি রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়।

সভায় পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, দুর্গাপূজা ধর্মীয় উৎসবের পাশাপাশি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সহাবস্থানের প্রতীক। সবার অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশ বজায় রাখতে এবং সাধারণ মানুষ যেন নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে।

এ সময় স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটি, স্বেচ্ছাসেবক ও এলাকাবাসীকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়। পাশাপাশি যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট থানা অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ যোগাযোগ করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।