০৯:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

এআই দিয়ে মিথ্যা কনটেন্ট ছড়িয়ে কাউকে হেয় করা অপরাধ: মেহজাবীন

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:৫৬:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫০৩

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি এবং তাঁকে হেয় করার উদ্দেশ্যে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়াকে অপরাধ বলে উল্লেখ করেছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। একই সঙ্গে এসব কনটেন্ট ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের দায়িত্ববোধ ও নৈতিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন এই অভিনেত্রী।

পোস্টে মেহজাবীন লেখেন, এআই ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি করা এবং কাউকে অপমানিত করার উদ্দেশ্যে তা ছড়িয়ে দেওয়া কোনো বিনোদন নয়, বরং এটি অপরাধ। কিন্তু একই কনটেন্ট যখন শত শত কিংবা হাজার হাজার মানুষ শেয়ার করতে থাকেন, তখন বিষয়টি আর শুধু একজনের অপরাধে সীমাবদ্ধ থাকে না। বরং এটি বৃহত্তর সামাজিক সমস্যার প্রতিফলন হয়ে দাঁড়ায়।

তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, একজন মানুষকে সম্মান দেখানোর জন্য তাঁকে নিজের মা, বোন কিংবা পরিবারের সদস্য হতে হবে কেন? তাঁর মতে, মানুষ হিসেবে প্রত্যেকেরই সম্মান পাওয়ার অধিকার রয়েছে।

মেহজাবীন বলেন, ভিউ, লাইক, শেয়ার ও ট্রেন্ডিংয়ে থাকার প্রতিযোগিতায় অনেকে হয়তো অর্থ উপার্জনের সুযোগ খোঁজেন। তিনি স্বীকার করেন, অনেকের জন্য কনটেন্ট তৈরি জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম। তবে অন্য একজন মানুষকে অপমান ও অসম্মান করে সেই উপার্জন করার নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

অভিনেত্রীর ভাষ্য, এ সমস্যা এখন শুধু নারী কিংবা পুরুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ভিউ ও এনগেজমেন্টের প্রতিযোগিতায় যে কেউ ক্ষতিকর কনটেন্ট ছড়িয়ে দেওয়ার অংশ হতে পারেন, আবার যে কেউ এর শিকারও হতে পারেন।

মেহজাবীন আরও লেখেন, তাঁকে সবচেয়ে বেশি ভাবায় শুধু সেই ব্যক্তি নন, যিনি এ ধরনের কনটেন্ট তৈরি করছেন; বরং সেই অসংখ্য মানুষ, যাঁরা স্বেচ্ছায় সেগুলো শেয়ার করছেন, আলোচনা করছেন এবং আরও মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন।

পোস্টের শেষাংশে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের বিবেক ও দায়িত্ববোধের বিষয়টি সামনে আনেন। তাঁর বক্তব্য, অন্যের অপমানকে ছড়িয়ে দিয়ে একজন অপরাধীর কর্মকাণ্ডে নিজেরাও অংশ নিচ্ছেন কি না, তা প্রত্যেকের ভেবে দেখা উচিত।

সর্বাধিক পঠিত

নোয়াখালী পাসপোর্ট অফিসে দালাল সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, তদন্তের আশ্বাস ডিডি মেহেদীর

এআই দিয়ে মিথ্যা কনটেন্ট ছড়িয়ে কাউকে হেয় করা অপরাধ: মেহজাবীন

আপডেট: ১০:৫৬:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি এবং তাঁকে হেয় করার উদ্দেশ্যে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়াকে অপরাধ বলে উল্লেখ করেছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। একই সঙ্গে এসব কনটেন্ট ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের দায়িত্ববোধ ও নৈতিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন এই অভিনেত্রী।

পোস্টে মেহজাবীন লেখেন, এআই ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি করা এবং কাউকে অপমানিত করার উদ্দেশ্যে তা ছড়িয়ে দেওয়া কোনো বিনোদন নয়, বরং এটি অপরাধ। কিন্তু একই কনটেন্ট যখন শত শত কিংবা হাজার হাজার মানুষ শেয়ার করতে থাকেন, তখন বিষয়টি আর শুধু একজনের অপরাধে সীমাবদ্ধ থাকে না। বরং এটি বৃহত্তর সামাজিক সমস্যার প্রতিফলন হয়ে দাঁড়ায়।

তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, একজন মানুষকে সম্মান দেখানোর জন্য তাঁকে নিজের মা, বোন কিংবা পরিবারের সদস্য হতে হবে কেন? তাঁর মতে, মানুষ হিসেবে প্রত্যেকেরই সম্মান পাওয়ার অধিকার রয়েছে।

মেহজাবীন বলেন, ভিউ, লাইক, শেয়ার ও ট্রেন্ডিংয়ে থাকার প্রতিযোগিতায় অনেকে হয়তো অর্থ উপার্জনের সুযোগ খোঁজেন। তিনি স্বীকার করেন, অনেকের জন্য কনটেন্ট তৈরি জীবিকা নির্বাহের মাধ্যম। তবে অন্য একজন মানুষকে অপমান ও অসম্মান করে সেই উপার্জন করার নৈতিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।

অভিনেত্রীর ভাষ্য, এ সমস্যা এখন শুধু নারী কিংবা পুরুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ভিউ ও এনগেজমেন্টের প্রতিযোগিতায় যে কেউ ক্ষতিকর কনটেন্ট ছড়িয়ে দেওয়ার অংশ হতে পারেন, আবার যে কেউ এর শিকারও হতে পারেন।

মেহজাবীন আরও লেখেন, তাঁকে সবচেয়ে বেশি ভাবায় শুধু সেই ব্যক্তি নন, যিনি এ ধরনের কনটেন্ট তৈরি করছেন; বরং সেই অসংখ্য মানুষ, যাঁরা স্বেচ্ছায় সেগুলো শেয়ার করছেন, আলোচনা করছেন এবং আরও মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন।

পোস্টের শেষাংশে তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের বিবেক ও দায়িত্ববোধের বিষয়টি সামনে আনেন। তাঁর বক্তব্য, অন্যের অপমানকে ছড়িয়ে দিয়ে একজন অপরাধীর কর্মকাণ্ডে নিজেরাও অংশ নিচ্ছেন কি না, তা প্রত্যেকের ভেবে দেখা উচিত।