১০:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:০৫:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫১১

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। প্রধানমন্ত্রীর এটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রথম অংশগ্রহণ ও ভাষণ। BSS+1

পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর সফরের কর্মসূচি তুলে ধরেন। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ৩৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল থাকবে। Thikana News+1

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ৮১তম সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্ক ২২ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর এবং ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। United Nations+1

পররাষ্ট্র সচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নবযাত্রা, আইনের শাসন ও জবাবদিহিতা, বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, যুব ও নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, রোহিঙ্গা সংকট, আধুনিক প্রযুক্তির ন্যায়সঙ্গত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবহার এবং বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার সংস্কারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। BSS

সফরের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের আয়োজিত রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সম্মানে স্বাগত প্রাতঃরাশে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

এরপর তিনি বিশ্বনেতাদের সঙ্গে সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী পর্বে যোগ দেবেন। একই দিন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং তাঁদের জীবনসঙ্গীদের সম্মানে মার্কিন প্রেসিডেন্টের আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেও তাঁর অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

২৩ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক দাতব্য ও মানবিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাতঃরাশ বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিন ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, নরওয়ে ও স্পেনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বৈশ্বিক বৈষম্য সংকট মোকাবিলা বিষয়ক একটি উচ্চপর্যায়ের সভায় বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

এ ছাড়া জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্যোগে আয়োজিত ‘জলবায়ু কর্মসূচি ও ন্যায্য রূপান্তর’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকেও যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘের নির্ধারিত সূচিতেও ২৩ সেপ্টেম্বর এ বৈঠকের কথা রয়েছে। United Nations

জলবায়ু সংক্রান্ত আলোচনায় বাংলাদেশকে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে তুলে ধরে জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, ক্ষয়ক্ষতি এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের বিষয়গুলো গুরুত্ব দেওয়ার কথা রয়েছে।

২৩ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে বাংলাদেশের আয়োজিত একটি পার্শ্ব-অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে মিয়ানমারে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানানো হবে বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে। BSS

২৪ সেপ্টেম্বর সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট অস্তিত্বের হুমকি মোকাবিলা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে উদ্বোধনী বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

জাতিসংঘের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট অস্তিত্বগত হুমকি নিয়ে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ২৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। United Nations+1

একই দিনে মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্য এবং ধাত্রীবিদ্যা বিষয়ক বাংলাদেশ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। সেখানে মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারের পদক্ষেপ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরার পাশাপাশি দক্ষ ও প্রশিক্ষিত ধাত্রীসেবার গুরুত্ব তুলে ধরা হবে।

জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স এবং ক্রোয়েশিয়া, ভুটান, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান ও হাইতির প্রধানমন্ত্রীদের সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কথা রয়েছে।

এসব বৈঠকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা, রোহিঙ্গা সংকট এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

এ ছাড়া জাতিসংঘ মহাসচিব, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট, মিয়ানমারবিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত এবং জাতিসংঘের শরণার্থী ও মানবাধিকারবিষয়ক কর্মকর্তাদের সঙ্গেও তাঁর বৈঠকের কথা রয়েছে।

সফরকালে অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে মেটা, ওয়াল স্ট্রিট এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী।

এসব বৈঠকে বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ, উৎপাদন ও অবকাঠামো খাত, প্রযুক্তি, মানবসম্পদ ও দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

সফর শেষে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।

জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশন ৮ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে এবং এর সাধারণ বিতর্ক ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে; ২৮ সেপ্টেম্বরও সাধারণ বিতর্কের কর্মসূচি রয়েছে। United Nations+1

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য এবারের সফরটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তাঁর প্রথম জাতিসংঘ সফর এবং সাধারণ পরিষদের বিশ্বমঞ্চে প্রথম ভাষণ। NTV

চাইলে এর জন্য আমি **আরও শক্তিশালী ৫টি নিউজ হেডলাইন, সাবহেডলাইন এবং ফেসবুকের জন্য ২ লাইনের ক্যাপশন**ও তৈরি করে দিতে পারি।

সর্বাধিক পঠিত

ইবনে সিনা ফার্মার এমডির বিরুদ্ধে ৪৬ কোটি টাকা গোপন লেনদেনসহ জালিয়াতির অভিযোগ

জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট: ১০:০৫:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। প্রধানমন্ত্রীর এটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রথম অংশগ্রহণ ও ভাষণ। BSS+1

পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর সফরের কর্মসূচি তুলে ধরেন। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ৩৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল থাকবে। Thikana News+1

জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ৮১তম সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্ক ২২ থেকে ২৬ সেপ্টেম্বর এবং ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। United Nations+1

পররাষ্ট্র সচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নবযাত্রা, আইনের শাসন ও জবাবদিহিতা, বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, যুব ও নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, রোহিঙ্গা সংকট, আধুনিক প্রযুক্তির ন্যায়সঙ্গত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবহার এবং বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার সংস্কারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে। BSS

সফরের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের আয়োজিত রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের সম্মানে স্বাগত প্রাতঃরাশে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

এরপর তিনি বিশ্বনেতাদের সঙ্গে সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী পর্বে যোগ দেবেন। একই দিন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং তাঁদের জীবনসঙ্গীদের সম্মানে মার্কিন প্রেসিডেন্টের আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেও তাঁর অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

২৩ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক দাতব্য ও মানবিক সংস্থার প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাতঃরাশ বৈঠকে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিন ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, নরওয়ে ও স্পেনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বৈশ্বিক বৈষম্য সংকট মোকাবিলা বিষয়ক একটি উচ্চপর্যায়ের সভায় বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

এ ছাড়া জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্যোগে আয়োজিত ‘জলবায়ু কর্মসূচি ও ন্যায্য রূপান্তর’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকেও যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘের নির্ধারিত সূচিতেও ২৩ সেপ্টেম্বর এ বৈঠকের কথা রয়েছে। United Nations

জলবায়ু সংক্রান্ত আলোচনায় বাংলাদেশকে জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে তুলে ধরে জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, ক্ষয়ক্ষতি এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের বিষয়গুলো গুরুত্ব দেওয়ার কথা রয়েছে।

২৩ সেপ্টেম্বর রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে বাংলাদেশের আয়োজিত একটি পার্শ্ব-অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে মিয়ানমারে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানানো হবে বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে। BSS

২৪ সেপ্টেম্বর সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে সৃষ্ট অস্তিত্বের হুমকি মোকাবিলা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে উদ্বোধনী বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

জাতিসংঘের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট অস্তিত্বগত হুমকি নিয়ে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ২৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। United Nations+1

একই দিনে মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্য এবং ধাত্রীবিদ্যা বিষয়ক বাংলাদেশ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। সেখানে মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকারের পদক্ষেপ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরার পাশাপাশি দক্ষ ও প্রশিক্ষিত ধাত্রীসেবার গুরুত্ব তুলে ধরা হবে।

জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স এবং ক্রোয়েশিয়া, ভুটান, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান ও হাইতির প্রধানমন্ত্রীদের সঙ্গে তারেক রহমানের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের কথা রয়েছে।

এসব বৈঠকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা, রোহিঙ্গা সংকট এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

এ ছাড়া জাতিসংঘ মহাসচিব, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট, মিয়ানমারবিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত এবং জাতিসংঘের শরণার্থী ও মানবাধিকারবিষয়ক কর্মকর্তাদের সঙ্গেও তাঁর বৈঠকের কথা রয়েছে।

সফরকালে অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে মেটা, ওয়াল স্ট্রিট এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী।

এসব বৈঠকে বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ, উৎপাদন ও অবকাঠামো খাত, প্রযুক্তি, মানবসম্পদ ও দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

সফর শেষে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক থেকে ঢাকার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।

জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশন ৮ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে এবং এর সাধারণ বিতর্ক ২২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়ে ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে; ২৮ সেপ্টেম্বরও সাধারণ বিতর্কের কর্মসূচি রয়েছে। United Nations+1

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য এবারের সফরটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এটি তাঁর প্রথম জাতিসংঘ সফর এবং সাধারণ পরিষদের বিশ্বমঞ্চে প্রথম ভাষণ। NTV

চাইলে এর জন্য আমি **আরও শক্তিশালী ৫টি নিউজ হেডলাইন, সাবহেডলাইন এবং ফেসবুকের জন্য ২ লাইনের ক্যাপশন**ও তৈরি করে দিতে পারি।