১০:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

চৌগাছায় ভুয়া নগদ ক্যাশ-আউট মেসেজ দেখিয়ে ২৩ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়ার চেষ্টা, যুবক আটক

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:৫৭:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫০৭

চৌগাছা প্রতিনিধি:
যশোরের চৌগাছায় ভুয়া নগদ ক্যাশ-আউট মেসেজ দেখিয়ে একটি মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের দোকান থেকে ২৩ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে মাহাবুব (২০) নামে এক যুবককে আটক করেছেন স্থানীয়রা।

শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে চৌগাছা-মাশপুর সড়কের পৌর এলাকার বেলেমাঠ বটতলায় ‘সজিব টেলিকম’ নামের একটি দোকানে এ ঘটনা ঘটে।

আটক মাহাবুব ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার চাপরাইল গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে।

দোকান মালিক সজিব রহমান (২৬) জানান, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মাহাবুব তার মোবাইলে নগদের ২৩ হাজার ৫০০ টাকা ক্যাশ-আউটের একটি মেসেজ দেখান। মেসেজে টাকা পাঠানোর তথ্য দেখা গেলেও তার নগদ অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্সে কোনো টাকা জমা হয়নি।

বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে সজিব রহমান নগদ অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স যাচাই করেন। তখন তিনি দেখতে পান, মেসেজে ২৩ হাজার ৫০০ টাকা লেনদেনের তথ্য থাকলেও প্রকৃতপক্ষে তার অ্যাকাউন্টে কোনো টাকা জমা হয়নি। পরে যাচাই করে মেসেজটি ভুয়া বলে নিশ্চিত হওয়ার দাবি করেন তিনি।

বিষয়টি বুঝতে পেরে দোকান মালিক স্থানীয়দের সহায়তা চান। পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এসে মাহাবুবকে আটক করেন।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে চৌগাছা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আলী আজগারসহ স্থানীয় কয়েকজন সেখানে উপস্থিত হন। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এদিকে মাহাবুবের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে আসেন। পরে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে মাহাবুবকে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের লেনদেনে শুধু মোবাইলে আসা এসএমএস দেখে টাকা দেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। অনেক সময় প্রতারকরা ভুয়া বা এডিট করা মেসেজ দেখিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে।

এ ঘটনার পর স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যেও ভুয়া ক্যাশ-আউট বা টাকা পাঠানোর মেসেজের মাধ্যমে প্রতারণা নিয়ে সতর্কতা তৈরি হয়েছে। ব্যবসায়ীদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, কোনো গ্রাহক টাকা পাঠানোর দাবি করলে শুধু মেসেজের ওপর নির্ভর না করে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স ও লেনদেনের তথ্য যাচাই করে টাকা দিতে।

সর্বাধিক পঠিত

যশোরে আওয়ামী লীগের তিন কর্মী আটক

চৌগাছায় ভুয়া নগদ ক্যাশ-আউট মেসেজ দেখিয়ে ২৩ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়ার চেষ্টা, যুবক আটক

আপডেট: ০৬:৫৭:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

চৌগাছা প্রতিনিধি:
যশোরের চৌগাছায় ভুয়া নগদ ক্যাশ-আউট মেসেজ দেখিয়ে একটি মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের দোকান থেকে ২৩ হাজার ৫০০ টাকা নেওয়ার চেষ্টার অভিযোগে মাহাবুব (২০) নামে এক যুবককে আটক করেছেন স্থানীয়রা।

শনিবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে চৌগাছা-মাশপুর সড়কের পৌর এলাকার বেলেমাঠ বটতলায় ‘সজিব টেলিকম’ নামের একটি দোকানে এ ঘটনা ঘটে।

আটক মাহাবুব ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার চাপরাইল গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে।

দোকান মালিক সজিব রহমান (২৬) জানান, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মাহাবুব তার মোবাইলে নগদের ২৩ হাজার ৫০০ টাকা ক্যাশ-আউটের একটি মেসেজ দেখান। মেসেজে টাকা পাঠানোর তথ্য দেখা গেলেও তার নগদ অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্সে কোনো টাকা জমা হয়নি।

বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে সজিব রহমান নগদ অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স যাচাই করেন। তখন তিনি দেখতে পান, মেসেজে ২৩ হাজার ৫০০ টাকা লেনদেনের তথ্য থাকলেও প্রকৃতপক্ষে তার অ্যাকাউন্টে কোনো টাকা জমা হয়নি। পরে যাচাই করে মেসেজটি ভুয়া বলে নিশ্চিত হওয়ার দাবি করেন তিনি।

বিষয়টি বুঝতে পেরে দোকান মালিক স্থানীয়দের সহায়তা চান। পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এসে মাহাবুবকে আটক করেন।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে চৌগাছা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আলী আজগারসহ স্থানীয় কয়েকজন সেখানে উপস্থিত হন। পরে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এদিকে মাহাবুবের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে আসেন। পরে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে মাহাবুবকে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

স্থানীয়রা জানান, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের লেনদেনে শুধু মোবাইলে আসা এসএমএস দেখে টাকা দেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। অনেক সময় প্রতারকরা ভুয়া বা এডিট করা মেসেজ দেখিয়ে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার চেষ্টা করতে পারে।

এ ঘটনার পর স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যেও ভুয়া ক্যাশ-আউট বা টাকা পাঠানোর মেসেজের মাধ্যমে প্রতারণা নিয়ে সতর্কতা তৈরি হয়েছে। ব্যবসায়ীদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, কোনো গ্রাহক টাকা পাঠানোর দাবি করলে শুধু মেসেজের ওপর নির্ভর না করে সংশ্লিষ্ট অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স ও লেনদেনের তথ্য যাচাই করে টাকা দিতে।