১০:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

গ্যাসের ঘাটতি মেটাতে দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ, সাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে জোর

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ০৬:০১:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫১০

দেশের গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের ঘাটতি মেটাতে বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানির পাশাপাশি দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর ওপর অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে আমদানিনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে স্থলভাগের পাশাপাশি সমুদ্রেও তেল-গ্যাস অনুসন্ধান জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শুধু বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানি করে গ্যাসের ঘাটতি পূরণ করা দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয়। বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানির মূল্য ওঠানামা, পরিবহন ব্যয়, সরবরাহের অনিশ্চয়তা এবং ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের কারণে আমদানিনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থা নানা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

এ কারণে দেশের স্থলভাগে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান ও বিদ্যমান ক্ষেত্রগুলোতে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরেও তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ইতোমধ্যে সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এতে বিদেশি জ্বালানি কোম্পানিগুলোর কাছ থেকেও সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানা গেছে। সমুদ্রসীমায় অনুসন্ধান কার্যক্রম সফল হলে ভবিষ্যতে দেশে গ্যাসের নতুন উৎস তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশে গ্যাসের উৎপাদন বাড়াতে পারলে একদিকে আমদানির ওপর নির্ভরতা কমবে, অন্যদিকে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপও হ্রাস পাবে। একই সঙ্গে শিল্প, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য খাতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা সহজ হবে।

তাই স্বল্পমেয়াদে এলএনজি আমদানির মাধ্যমে ঘাটতি মোকাবিলা করলেও দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বৃদ্ধিই টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তার অন্যতম প্রধান পথ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সর্বাধিক পঠিত

বেনাপোলে মেয়রপ্রার্থী ইমদাদুল হকের গণসংযোগ ও দোয়া প্রার্থনা

গ্যাসের ঘাটতি মেটাতে দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ, সাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে জোর

আপডেট: ০৬:০১:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

দেশের গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের ঘাটতি মেটাতে বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানির পাশাপাশি দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর ওপর অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদে আমদানিনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে স্থলভাগের পাশাপাশি সমুদ্রেও তেল-গ্যাস অনুসন্ধান জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শুধু বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানি করে গ্যাসের ঘাটতি পূরণ করা দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয়। বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানির মূল্য ওঠানামা, পরিবহন ব্যয়, সরবরাহের অনিশ্চয়তা এবং ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের কারণে আমদানিনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থা নানা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

এ কারণে দেশের স্থলভাগে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান ও বিদ্যমান ক্ষেত্রগুলোতে উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরেও তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ইতোমধ্যে সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এতে বিদেশি জ্বালানি কোম্পানিগুলোর কাছ থেকেও সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানা গেছে। সমুদ্রসীমায় অনুসন্ধান কার্যক্রম সফল হলে ভবিষ্যতে দেশে গ্যাসের নতুন উৎস তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশে গ্যাসের উৎপাদন বাড়াতে পারলে একদিকে আমদানির ওপর নির্ভরতা কমবে, অন্যদিকে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপও হ্রাস পাবে। একই সঙ্গে শিল্প, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য খাতে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা সহজ হবে।

তাই স্বল্পমেয়াদে এলএনজি আমদানির মাধ্যমে ঘাটতি মোকাবিলা করলেও দীর্ঘমেয়াদে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বৃদ্ধিই টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তার অন্যতম প্রধান পথ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।