দক্ষিণ আফ্রিকার নর্থ ওয়েস্ট প্রদেশের একটি পরিত্যক্ত খনিতে অন্তত ১৪ জন সন্দেহভাজন অবৈধ খনি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দেশটির পুলিশের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি।
দক্ষিণ আফ্রিকান পুলিশ সার্ভিস (এসএপিএস) জানায়, রুস্টেনবার্গ শহরের কাছে নকানেং অনানুষ্ঠানিক বসতির একটি পরিত্যক্ত খনিতে ওই ব্যক্তিরা অবৈধভাবে খননকাজ চালাচ্ছিলেন। এলাকাটি দেশটির বৃহত্তম শহর জোহানেসবার্গ থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার দূরে।
তবে খনির ভেতরে ঠিক কীভাবে শ্রমিকদের মৃত্যু হয়েছে, কতজন আহত হয়েছেন কিংবা এখনো কেউ সেখানে আটকা পড়ে আছেন কি না—এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানায়নি পুলিশ। ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।
দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বের অন্যতম বড় সোনা ও মূল্যবান খনিজ উৎপাদনকারী দেশ। তবে দেশটিতে অবৈধ খনন দীর্ঘদিনের একটি বড় সমস্যা হয়ে আছে। কর্মসংস্থানের অভাব ও দারিদ্র্যের কারণে অনেক মানুষ পরিত্যক্ত খনিতে প্রবেশ করে অবশিষ্ট মূল্যবান ধাতু সংগ্রহের চেষ্টা করেন।
পরিত্যক্ত খনির শ্যাফটে প্রবেশ আইনত নিষিদ্ধ হলেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বিপুলসংখ্যক অবৈধ খনি শ্রমিক এসব স্থানে প্রবেশ করেন। ফলে দেশটির বিভিন্ন এলাকায় পরিত্যক্ত খনিতে শ্রমিক আটকা পড়া, আহত হওয়া এবং মৃত্যুর ঘটনা প্রায়ই ঘটে।
শুধু দক্ষিণ আফ্রিকাই নয়, প্রতিবেশী বিভিন্ন দেশ থেকেও বহু মানুষ জীবিকার সন্ধানে এসব পরিত্যক্ত খনিতে অবৈধভাবে কাজ করতে যান। ফলে অবৈধ খনন ঠেকাতে অভিযান ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করলেও সমস্যাটি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি দেশটির কর্তৃপক্ষ।




















