০৫:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতে কারাবন্দী শ্রমিকের মৃত্যু: ৩৮ দিন পর বুড়িমারী সীমান্ত দিয়ে মরদেহ দেশে ফেরত

  • সেন্ট্রাল ডেস্ক নিউজ ডেস্ক
  • আপডেট: ১০:১৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
  • ৬১৭

ভারতে কারাবন্দী অবস্থায় মারা যাওয়া বাংলাদেশি শ্রমিক খাইরুল ইসলামের (৪৪) মরদেহ দীর্ঘ ৩৮ দিন পর দেশে ফিরেছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে লালমনিরহাটের বুড়িমারী-চেংড়াবান্দা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নিহত খাইরুল ইসলাম কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার গুনাইগাছ ইউনিয়নের পশ্চিম কালুডাঙ্গা গ্রামের মৃত আব্দুল্লাহর ছেলে। দেশে তিনি পোশাকশ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জীবিকার তাগিদে প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে যান খাইরুল। সেখানে কাজ করার সময় ভারতীয় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে তিনি কারাবন্দী হন। গত ১০ ফেব্রুয়ারি কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে জলপাইগুড়ি সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

মরদেহ হস্তান্তরের সময় ভারতের কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রতিনিধি, বিজিবি-বিএসএফ, উভয় দেশের পুলিশ ও কাস্টমস কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। খাইরুলের পরিবারের পক্ষে তার মামা ফুল মিয়া মরদেহ গ্রহণ করেন। মরদেহ দেশে আনার ক্ষেত্রে সার্বিক সমন্বয় ও সহযোগিতা করেন কুড়িগ্রামের ‘রেডিও চিলমারী’র স্টেশন ম্যানেজার বশির আহমেদ।
বশির আহমেদ জানান, খাইরুলের মৃত্যুর খবরে তার দরিদ্র পরিবারটি দিশেহারা হয়ে পড়ে। মানবিক কারণে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে নিজ গ্রাম পশ্চিম কালুডাঙ্গায় পারিবারিক কবরস্থানে খাইরুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। নিহতের স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ পরিবারের সদস্যরা তার মরদেহ ফিরে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

সর্বাধিক পঠিত

বড় আঁচড়ায় পঞ্চম দিনের গণসংযোগে ইমদাদুল হক ইমদাদ

ভারতে কারাবন্দী শ্রমিকের মৃত্যু: ৩৮ দিন পর বুড়িমারী সীমান্ত দিয়ে মরদেহ দেশে ফেরত

আপডেট: ১০:১৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

ভারতে কারাবন্দী অবস্থায় মারা যাওয়া বাংলাদেশি শ্রমিক খাইরুল ইসলামের (৪৪) মরদেহ দীর্ঘ ৩৮ দিন পর দেশে ফিরেছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে লালমনিরহাটের বুড়িমারী-চেংড়াবান্দা ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নিহত খাইরুল ইসলাম কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার গুনাইগাছ ইউনিয়নের পশ্চিম কালুডাঙ্গা গ্রামের মৃত আব্দুল্লাহর ছেলে। দেশে তিনি পোশাকশ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জীবিকার তাগিদে প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে অবৈধভাবে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে যান খাইরুল। সেখানে কাজ করার সময় ভারতীয় পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়ে তিনি কারাবন্দী হন। গত ১০ ফেব্রুয়ারি কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে জলপাইগুড়ি সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

মরদেহ হস্তান্তরের সময় ভারতের কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রতিনিধি, বিজিবি-বিএসএফ, উভয় দেশের পুলিশ ও কাস্টমস কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। খাইরুলের পরিবারের পক্ষে তার মামা ফুল মিয়া মরদেহ গ্রহণ করেন। মরদেহ দেশে আনার ক্ষেত্রে সার্বিক সমন্বয় ও সহযোগিতা করেন কুড়িগ্রামের ‘রেডিও চিলমারী’র স্টেশন ম্যানেজার বশির আহমেদ।
বশির আহমেদ জানান, খাইরুলের মৃত্যুর খবরে তার দরিদ্র পরিবারটি দিশেহারা হয়ে পড়ে। মানবিক কারণে স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে নিজ গ্রাম পশ্চিম কালুডাঙ্গায় পারিবারিক কবরস্থানে খাইরুল ইসলামের দাফন সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। নিহতের স্ত্রী ও দুই সন্তানসহ পরিবারের সদস্যরা তার মরদেহ ফিরে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।